বাংলাদেশ · পাকিস্তান · নেপাল · মধ্যপ্রাচ্য — সব জায়গায় সেবা support@phonesellpro.com
মূলপাতা/ফিচারস

PhoneSell Pro যা যা করে — সব এক পাতায়

পয়েন্ট ধরে ধরে: কিস্তির ফোন লকার আর পুরো দোকান ম্যানেজমেন্ট। প্রতিটির পাশে ⓘ-তে মাউস রাখুন (বা চাপুন) — দেখবেন আপনার দোকানে এটা কী কাজে আসে।

৩মডিউল
২২বিভাগ
১১৮ফিচার
৯৪৪সুবিধার ব্যাখ্যা

মডিউল সূচি

🔒
০১

লকার — কিস্তির ফোন লক

কিস্তিতে ফোন দিন নিশ্চিন্তে — বকেয়া পড়লে ফোন লক, টাকা দিলে খুলে যায়।

কিস্তিতে ফোন বিক্রির সবচেয়ে বড় ভয় হলো কাস্টমার ফোন নিয়ে আর কিস্তি দেয় না। লকার সেই ভয় দূর করে — ফোন এনরোল করা থাকলে বকেয়া পড়লে লক হয়, কারসাজি করলে লক হয়, আর টাকা দিলেই খুলে যায়। সব কিছু চলে প্যানেল বা দোকানদার অ্যাপ থেকে।

১. ফোন যোগ ও এনরোল

নতুন কিস্তির ফোন লকারে তোলা আর কাস্টমারের হাতে দেওয়ার আগে দোকানেই সুরক্ষিত করে ফেলা।

  1. ১.১
    ৫ ধাপে নতুন কিস্তির ফোন যোগ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • প্রতিটা ধাপ নিজে থেকেই সেভ হয় — মাঝপথে উঠে গেলেও কিছু হারায় না।
    • নতুন কাস্টমার ওই পাতা থেকেই যোগ করা যায়, আলাদা পাতায় যেতে হয় না।
    • ব্র্যান্ড লিখতে শুরু করলেই মডেলের তালিকা চলে আসে।
    • IMEI ১ ও IMEI ২ — দুই সিমের ফোনের দুটো নম্বরই রাখা যায়।
    • দাম, ডাউন পেমেন্ট আর লাভ % দিলে কিস্তির সময়সূচি সাথে সাথে দেখায়।
    • মাসিক, সাপ্তাহিক বা দৈনিক — যেভাবে কিস্তি নেন সেভাবেই।
    • ডাউন পেমেন্ট কোন হিসাবে (ক্যাশ/বিকাশ) এল, সেটাও লেখা থাকে।
    • শেষ ধাপে সব একসাথে দেখে নিশ্চিত — ভুল ধরার শেষ সুযোগ।

    কাস্টমার, ফোনের ব্র্যান্ড-মডেল, IMEI, কিস্তির হিসাব আর শেষে একবার মিলিয়ে নেওয়া — পাঁচটা ছোট ধাপে একটা ফোন লকারে উঠে যায়, সাথে কিস্তির চুক্তিও তৈরি হয়।

  2. ১.২
    দোকানের বিক্রি থেকে সরাসরি লকারে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • একই কাস্টমারের তথ্য দুইবার লিখতে হয় না।
    • কিস্তির হিসাব বিক্রির সাথে মিলে থাকে — গরমিলের ভয় নেই।
    • দোকান আর লকার একই সফটওয়্যারে, তাই সব হিসাব এক জায়গায়।
    • বিক্রির IMEI ধরে ঠিক সেই সেটটাই লকারে ওঠে।
    • কাউন্টারের লোক বিক্রি করে, লকারের লোক এনরোল করে — কাজ ভাগ করা সহজ।
    • ভিড়ের সময় সময় বাঁচে, কাস্টমার কম অপেক্ষা করেন।
    • বিক্রি আর কিস্তির রিপোর্ট দুই জায়গাতেই ঠিকঠাক আসে।
    • নতুন স্টাফও সহজে শিখে নিতে পারে।

    ফোনটা যদি দোকানের POS থেকে কিস্তিতে আগেই বিক্রি হয়ে থাকে, তালিকা থেকে বিক্রিটা বেছে নিলেই কাস্টমার আর কিস্তির হিসাব নিজে থেকে বসে যায়।

  3. ১.৩
    Enroll অ্যাপ — ফোন থেকে ফোনে সেটআপ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কম্পিউটার লাগে না — দোকানের যেকোনো স্মার্টফোনেই কাজ চলে।
    • ক্যাবল না থাকলে Wireless Debugging দিয়েও সেটআপ করা যায়।
    • এনরোলের আগে ফোনটা প্রস্তুত কি না অ্যাপ নিজেই যাচাই করে নেয়।
    • একবার এনরোল করলেই হলো — প্রতি ফোনে কাজটা একবারই।
    • Device Owner হলে কাস্টমার অ্যাপ মুছতে বা ফোন রিসেট করতে পারে না।
    • বাংলাসহ একাধিক ভাষায় অ্যাপ চলে।
    • নতুন ভার্সন এলে অ্যাপ নিজেই জানিয়ে দেয়।
    • দোকানের বাইরে, কাস্টমারের বাড়িতে গিয়েও সেটআপ করা যায়।

    নিজের ফোনে Enroll অ্যাপ রাখুন, OTG ক্যাবল বা Wireless Debugging দিয়ে কাস্টমারের ফোন যুক্ত করে এনরোল চাপুন। কম্পিউটার ছাড়াই PhoneSell অ্যাপ Device Owner হয়ে বসে যায়।

  4. ১.৪
    ল্যাপটপ টুল — Windows ও Mac ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • Windows আর Mac — দুটোতেই চলে।
    • এক ক্লিকে কাজ, কমান্ড লেখার কিছু নেই।
    • জেদি ব্র্যান্ডের ফোনেও বিকল্প পথ হাতে থাকে।
    • ধাপে ধাপে লেখা গাইড — Developer options থেকে শেষ পর্যন্ত।
    • কোন ব্র্যান্ডে কোন সুইচ লুকানো থাকে, তার আলাদা সাহায্য পাতা আছে।
    • সফল হলে প্যানেলে ফোনটা ENROLLED দেখায় — বুঝতে ভুল হয় না।
    • একসাথে অনেক ফোন সেটআপের দিনে কাজ দ্রুত হয়।
    • অ্যাপ আর টুল — দুই পথ থাকায় কোনো ফোন আটকে থাকে না।

    যে ফোনে Enroll অ্যাপ কাজ করে না, সেটা USB ক্যাবলে ল্যাপটপে লাগিয়ে টুল চালান — এক ক্লিকে PhoneSell অ্যাপ বসে যায় আর Device Owner হয়।

  5. ১.৫
    কাস্টমার অ্যাপে QR দিয়ে লগইন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমারকে পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হয় না।
    • QR একবারই চলে আর কিছুক্ষণ পরে বাতিল হয় — অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে না।
    • ফোন অনলাইনে এলেই পাতা নিজে থেকে জানিয়ে দেয় — কাজ শেষ।
    • অ্যাপ নামানোর লিংকও QR আকারে পাওয়া যায়।
    • ভুল সার্ভারে লগইনের ঝামেলা নেই, QR-এই ঠিকানা থাকে।
    • কয়েক সেকেন্ডে কাজ শেষ, কাস্টমার দাঁড়িয়ে থাকেন না।
    • কম শিক্ষিত কাস্টমারের জন্যও সহজ।
    • লগইনের পরেই কাস্টমার নিজের কিস্তি দেখতে পান।

    এনরোলের পরে প্যানেলে একটা QR আসে। কাস্টমারের ফোনে PhoneSell অ্যাপ খুলে QR স্ক্যান করালেই লগইন — নম্বর বা পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হয় না।

  6. ১.৬
    ডিভাইস ক্রেডিট — প্রতি ফোনে একটা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • যত ফোন, তত ক্রেডিট — হিসাব পরিষ্কার।
    • বাকি ক্রেডিট ড্যাশবোর্ড আর ফোন যোগের পাতায় সবসময় দেখা যায়।
    • অনলাইনে কিনলে সাথে সাথে ক্রেডিট যোগ হয়।
    • ক্রেডিট লেজারে প্রতিটা খরচ কোন ফোনে, তা দেখা যায়।
    • শেষ হওয়ার আগেই চোখে পড়ে, নতুন বিক্রি আটকায় না।
    • ডিলারের মাধ্যমেও ক্রেডিট নেওয়ার পথ আছে।
    • স্টাফ কতগুলো ফোন যোগ করল, তা মেলানো সহজ।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও ক্রেডিট দেখা যায়।

    লকারে প্রতিটা নতুন ফোন যোগ করতে একটা ডিভাইস ক্রেডিট লাগে। কত ক্রেডিট বাকি, কবে কত এল আর কোন ফোনে খরচ হলো — সব লেজারে লেখা থাকে।

২. লক ও আনলক

হাতে চেপে বা নিজে থেকে — কিস্তি না দিলে লক, টাকা দিলে খোলা।

  1. ২.১
    এক চাপে লক, এক চাপে আনলক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বারবার ফোন করে তাগাদা দেওয়ার দরকার কমে যায়।
    • লক হলে কাস্টমার শুধু দোকানে যোগাযোগ আর কিস্তি দেওয়ার কাজ করতে পারেন।
    • ফোন অফলাইন থাকলেও লক পাঠানো যায় — নেট পেলেই লক হয়।
    • তালিকা থেকেই লক করা যায়, আলাদা পাতা খুলতে হয় না।
    • কে কখন লক করল, সব অডিট লগে থাকে।
    • স্টাফের হাতে লকের অনুমতি দেবেন কি না, আপনিই ঠিক করেন।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকে দোকানের বাইরে বসেও লক করা যায়।
    • কমান্ড ইতিহাসে কবে কী পাঠানো হয়েছে দেখা যায়।

    ফোনের পাতা বা ডিভাইস তালিকা থেকে “সীমিত করুন” চাপলেই ফোন লক, “রিস্টোর” চাপলে খুলে যায়। ফোন অনলাইনে থাকলে কয়েক সেকেন্ডে কাজ হয়।

  2. ২.২
    লক স্ক্রিনে নিজের নোটিশ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার বোঝেন কেন লক হয়েছে — ভুল বোঝাবুঝি কমে।
    • লক পর্দায় মোট বকেয়া আর এখন কত দিলে খুলবে, দুটোই দেখায়।
    • লক পর্দা থেকেই দোকানে মেসেজ পাঠানো যায়।
    • চাইলে “এখনই পেমেন্ট” বোতাম দেখান — কাস্টমার সেখান থেকেই কিস্তি দেন।
    • ব্যাক বোতাম চেপে লক পর্দা এড়ানো যায় না।
    • ফোন চালু করলেও লক পর্দা আবার ফিরে আসে।
    • সিম খোলার জন্য লক হলে আলাদা “নিরাপত্তা লক” লেখা দেখায়।
    • ফোনের নিজের ভাষায় তারিখ আর লেখা দেখায়।

    লক হওয়া ফোনের পর্দায় কী লেখা থাকবে, আপনি লিখে দেন — যেমন “কিস্তি বাকি, দোকানে যোগাযোগ করুন”। সাথে বকেয়া টাকা আর দোকানের যোগাযোগ দেখায়।

  3. ২.৩
    বকেয়া পড়লে নিজে থেকেই লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বকেয়া পড়লে নিজে থেকেই ফোন লক — খাতা ঘেঁটে খুঁজতে হয় না।
    • কত দিন ছাড় দেবেন (গ্রেস ডে), সেটা দোকান নিজে ঠিক করে।
    • শুধু সত্যিকারের বকেয়াতেই লক হয়, সাময়িক সমস্যায় না।
    • চাইলে কোনো চুক্তিতে শুধু হাতে লকের নিয়মও রাখা যায়।
    • ভালো কাস্টমার সময়মতো দিলে কখনো লক দেখেন না।
    • শত শত ফোনেও একই নিয়ম সমানভাবে চলে।
    • ছুটির দিনেও কাজ থেমে থাকে না।
    • কোন ফোন কেন লক হলো, কারণসহ লেখা থাকে।

    কিস্তির তারিখ পার হয়ে আপনার ঠিক করা ছাড়ের দিনও পেরোলে ফোন নিজেই লক হয়। প্রতিদিন সব চুক্তি নিজে থেকে হিসাব হয় — আপনাকে কিছু চাপতে হয় না।

  4. ২.৪
    ধাপে ধাপে চাপ — নোটিশ থেকে পুরো লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হঠাৎ পুরো লক না করে আগে ভদ্রভাবে মনে করানো যায়।
    • বেশিরভাগ কাস্টমার নোটিশ দেখেই কিস্তি দিয়ে দেন।
    • সতর্কতার ওয়ালপেপার সবসময় চোখে পড়ে।
    • ক্যামেরা বন্ধ হলে কাস্টমার বিষয়টা গুরুত্ব দেন।
    • তবুও না দিলে পুরো লক — শেষ অস্ত্র হাতে থাকে।
    • টাকা দিলে সব আগের মতো হয়ে যায়।
    • কাস্টমারের সাথে সম্পর্ক নষ্ট না করেই আদায় হয়।
    • পুরো কাজটা নিজে থেকে চলে, আলাদা করে চাপতে হয় না।

    বকেয়া হলে প্রথমে মনে করিয়ে দেওয়ার নোটিশ, তারপর সতর্কতার ওয়ালপেপার আর ক্যামেরা বন্ধ, শেষে পুরো লক। টাকা দিলে আবার ধাপে ধাপে স্বাভাবিক হয়।

  5. ২.৫
    টাকা দিলেই নিজে থেকে আনলক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমারকে দোকানে আবার আসতে হয় না।
    • স্টাফ আনলক করতে ভুলে গেলেও সমস্যা নেই।
    • রাতে বা ছুটির দিনে টাকা দিলেও ফোন খুলে যায়।
    • কাস্টমার খুশি থাকেন, পরের কিস্তিও সময়মতো দেন।
    • ভুল করে পেমেন্ট রিভার্স করলে হিসাব আগের মতো হয়।
    • আনলকের সাথে কাস্টমার রসিদ SMS পেতে পারেন।
    • লক আর আনলক দুটোর রেকর্ডই থাকে।
    • দোকানের কাজ কমে, কাস্টমারের ঝামেলাও কমে।

    প্যানেলে কিস্তি লিখলে, বা কাস্টমার অনলাইনে টাকা দিলে, বকেয়া মিটে গেলেই ফোন নিজে থেকে খুলে যায় — আলাদা করে আনলক চাপতে হয় না।

  6. ২.৬
    কাস্টমারের “আরও কয়েকদিন সময়” অনুরোধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সত্যিকারের বিপদে পড়া কাস্টমারকে দোকানে আসতে হয় না।
    • চালু রাখবেন কি না, সেটা পুরো আপনার সিদ্ধান্ত।
    • একবারে কত দিন, মোট কতবার — দুটোই সীমা দেওয়া যায়।
    • সীমা পেরোলে অনুরোধ নিজে থেকেই না হয়ে যায়।
    • কবে পর্যন্ত খোলা থাকবে, কাস্টমার ফোনেই দেখেন।
    • সময় শেষে টাকা না দিলে ফোন আবার লক হয়।
    • বাড়তি সময় চুক্তিতে লেখা থাকে, ফোন বদলালেও হারায় না।
    • কাস্টমারের আস্থা বাড়ে, দোকানের নিয়ন্ত্রণও থাকে।

    লক পর্দায় “আরও সময় দরকার” বোতাম চেপে কাস্টমার নিজেই কয়েকদিনের জন্য ফোন খোলাতে পারেন। কত দিন আর কতবার — সেই নিয়ম পুরোটাই দোকান ঠিক করে।

৩. নেট ছাড়া নিয়ন্ত্রণ

কাস্টমার ডাটা বন্ধ রাখলেও ফোন আপনার কথা শোনে।

  1. ৩.১
    SMS দিয়ে লক ও আনলক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার ডাটা বন্ধ রেখে পার পান না।
    • শুধু বকেয়া ফোন, বা কতদিন চুপ আছে — এভাবে বেছে পাঠানো যায়।
    • পাঠানোর আগে তালিকা দেখে টিক তুলে বাদ দেওয়া যায়।
    • প্রতিটা SMS-এর কারণ অডিট লগে থাকে।
    • SMS গোপন চাবি দিয়ে সই করা — অন্য কেউ নকল করতে পারে না।
    • ফোনের পাতা থেকেও একটা ফোনে SMS দিয়ে পাঠানো যায়।
    • পুরোনো SMS আবার পাঠিয়ে কেউ ফোন খোলাতে পারে না।
    • জরুরি অবস্থায় শেষ ভরসা হিসেবে কাজ করে।

    ফোনে ইন্টারনেট না থাকলেও সিম চালু থাকলে SMS দিয়ে লক বা আনলক পাঠানো যায় — একটা ফোনে, বা ফিল্টার করে একসাথে অনেক ফোনে।

  2. ৩.২
    অফলাইন আনলক কোড ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • একদম নেটওয়ার্ক ছাড়া জায়গাতেও ফোন খোলা যায়।
    • প্রতিটা কোড একবারই চলে — দ্বিতীয়বার কাজ করে না।
    • প্রতিটা ফোনের কোড আলাদা, এক ফোনের কোডে আরেকটা খোলে না।
    • দরকার হলে এক চাপে নতুন কোড তৈরি করা যায়।
    • কোড দিলে সেটা চিহ্নিত করে রাখা যায়।
    • ফোন অনলাইনে এলে কোন কোড ব্যবহার হলো, তা প্যানেলে আসে।
    • কাস্টমারকে দূর থেকে সাহায্য করা যায়, দোকানে আনতে হয় না।
    • শুধু অনুমতি পাওয়া স্টাফই কোড দেখতে পান।

    নেটও নেই, SMS-ও যাচ্ছে না? ফোনের পাতায় দুটো ৮ অঙ্কের কোড থাকে। ফোনে কাস্টমারকে কোডটা বলে দিন — লক পর্দায় লিখলেই ফোন খুলে যায়।

  3. ৩.৩
    কোড ইতিহাস — কে কোড দিল ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • স্টাফ চুপিচুপি ফোন খুলে দিলে ধরা পড়ে।
    • প্রতিটা ঘটনায় কে করেছেন আর কোথা থেকে, লেখা থাকে।
    • লেখা মুছে ফেলা যায় না — রেকর্ড নিরাপদ।
    • ফোন আর কাস্টমারের নাম পাশাপাশি দেখায়।
    • বিবাদ হলে প্রমাণ হাতে থাকে।
    • মালিক বাইরে থাকলেও দোকানের কাজ নজরে থাকে।
    • অনুমতি থাকলে স্টাফকে কাজ দিতে ভয় লাগে না।
    • আলাদা খাতা রাখার দরকার পড়ে না।

    কোন স্টাফ কবে কোন ফোনের কোড দিয়েছেন, কোন ফোনে কোড ব্যবহার হয়েছে আর কবে কোড বদলানো হয়েছে — সব এক তালিকায়, কাস্টমারের নামসহ।

  4. ৩.৪
    নেট না থাকলেও নিয়ম মেনে চলে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • নেট বন্ধ করে লক এড়ানোর কৌশল কাজ করে না।
    • নিয়ম বদলালে পরের বার অনলাইনে এলেই সব ফোনে পৌঁছে যায়।
    • অফলাইনে পাঠানো লক নেট পেলেই কার্যকর হয়।
    • লক হওয়ার পর নেট ছাড়াও লক থেকে যায়।
    • আলাদা করে প্রতিটা ফোনে কিছু পাঠাতে হয় না।
    • গ্রামের দুর্বল নেটওয়ার্কেও লকার কাজ করে।
    • ফোন নেটে ফিরলে সব ঘটনা প্যানেলে জানিয়ে দেয়।
    • দোকানের নিয়ন্ত্রণ নেটের উপর নির্ভর করে না।

    আপনার লক রুলস ফোন নিজের কাছে মনে রাখে। তাই ডাটা বন্ধ থাকলেও সিম খোলা বা রিসেটের চেষ্টায় লক হয়, আর নেট এলেই নতুন নিয়ম নিয়ে নেয়।

  5. ৩.৫
    অনেকক্ষণ অফলাইন থাকলে নিজেই লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ইচ্ছা করে নেট বন্ধ রাখা কাস্টমার ধরা পড়েন।
    • কত ঘণ্টা পরে লক, সেটা আপনিই ঠিক করেন।
    • বন্ধ রাখতে চাইলে বন্ধও রাখা যায় — পুরো আপনার পছন্দ।
    • ফোন যোগাযোগে থাকে, লোকেশনও নিয়মিত আসে।
    • কাস্টমার বুঝে যান নেট বন্ধ করে লাভ নেই।
    • চুপ হয়ে যাওয়া ফোন প্যানেলের তালিকায় আলাদা করে ধরা পড়ে।
    • নির্দিষ্ট ফোনে আলাদা নিয়মও দেওয়া যায়।
    • বড় বকেয়ার আগে সমস্যা ধরা পড়ে।

    চাইলে নিয়ম চালু করুন — আপনার ঠিক করা ঘণ্টার বেশি ফোনে নেট না থাকলে ফোন নিজেই লক হয়ে যায়, নেট দিয়ে যোগাযোগ করলে আবার খোলে।

৪. কারসাজি ঠেকানোর সুরক্ষা

অ্যাপ মোছা, রিসেট, সিম বদল — লক ভাঙার চেনা পথগুলো বন্ধ।

  1. ৪.১
    Device Owner — অ্যাপ মোছা ও রিসেট বন্ধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সেটিংস থেকে ফ্যাক্টরি রিসেট করে লক এড়ানো যায় না।
    • অ্যাপ আনইনস্টল বা ফোর্স স্টপ করা যায় না।
    • অ্যাপের পারমিশন কেড়ে নেওয়ার পথ বন্ধ।
    • নতুন আপডেট নিজে থেকেই চুপচাপ ইনস্টল হয়।
    • ফোন রিস্টার্ট দিলেও লকার আবার চালু হয়।
    • কোম্পানির ব্যাটারি সেভার অ্যাপ বন্ধ করে দিলেও আবার চালু হয়।
    • ফোন নতুন করে ফ্ল্যাশের চেষ্টা হলে লক আর সতর্কতা।
    • কিস্তি শেষে রিলিজ করলে সব নিয়ন্ত্রণ পরিষ্কারভাবে সরে যায়।

    এনরোল করা ফোনে PhoneSell অ্যাপ Device Owner হিসেবে বসে। কাস্টমার অ্যাপ আনইনস্টল, বন্ধ বা সেটিংস থেকে ফোন রিসেট করে লক ভাঙতে পারেন না।

  2. ৪.২
    সিম খুললে বা বদলালে লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সিম বদলে পালানোর চেষ্টা সাথে সাথে থামে।
    • দুই সিম স্লট আলাদা করে নজরে থাকে।
    • সেটিংস থেকে সিম বন্ধ করলে ভুল করে লক হয় না।
    • সিম বদলের সতর্কতা সাথে সাথে প্যানেলে আসে।
    • নিয়মটা চালু বা বন্ধ — আপনার পছন্দ।
    • বন্ধ রাখলে লক না হয়ে শুধু সতর্কতা আসে।
    • নতুন সিমের নম্বর যাচাই করে লক খোলা যায়।
    • কাস্টমার SMS-এ সিম বদলের নোটিশ পেতে পারেন।

    কাস্টমার সিম খুলে ফেললে বা অন্য সিম ঢোকালে ফোন সাথে সাথে লক হয় — নেট না থাকলেও। আর সেটিংসে শুধু সিম বন্ধ-চালু করলে লক হয় না।

  3. ৪.৩
    সিম নম্বর যাচাই (OTP) ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ফোনে এখন কোন সিম আছে, তার সত্যিকারের নম্বর হাতে আসে।
    • কাস্টমার ভুল নম্বর দিয়ে ফাঁকি দিতে পারেন না।
    • যাচাই হওয়া নম্বর ফোনের ইতিহাসে থেকে যায়।
    • শুধু সিমের কারণে লক হলে যাচাই করেই খোলা যায়।
    • কোড নিজে না বসলে লক পর্দা থেকে মেসেজ দেখে লেখা যায়।
    • অনেক অপারেটরে USSD দিয়েই নম্বর ধরা পড়ে।
    • বকেয়া থাকলে শুধু যাচাইয়ে ফোন খোলে না।
    • কাস্টমারকে খুঁজে পেতে আসল নম্বর কাজে লাগে।

    অনেক ফোন সিমের নিজের নম্বর লুকিয়ে রাখে। কাস্টমার ফোনের সিমের নম্বর লেখেন, সেই নম্বরে কোড যায় আর ফোন নিজেই কোড পড়ে মিলিয়ে নেয় — আসল নম্বর জানা যায়।

  4. ৪.৪
    শুধু বিপজ্জনক সেটিংস বন্ধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার ফোন স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করেন, বিরক্ত হন না।
    • রিসেট পাতা খুললেই বের করে দেয়।
    • লকার অ্যাপের ইনফো আর পারমিশন পাতায় ঢোকা যায় না।
    • রিসেট পাতা খুললে লক হবে, না শুধু সতর্কতা — আপনি ঠিক করেন।
    • Device Owner না হলেও হালকা সুরক্ষা চালু থাকে।
    • কাস্টমারের অভিযোগ কমে, ফোন ফেরত আসে কম।
    • কারসাজির চেষ্টা হলে সতর্কতা দোকানে যায়।
    • লক পর্দা থেকে দোকানে যোগাযোগের পথ খোলা থাকে।

    কাস্টমার স্বাভাবিক সেটিংস — Wi-Fi, ব্রাইটনেস, রিংটোন — সব ব্যবহার করতে পারেন। শুধু যেসব পাতা দিয়ে লক ভাঙা যায় (রিসেট, অ্যাপ ইনফো ইত্যাদি) সেখান থেকে ফিরিয়ে দেয়।

  5. ৪.৫
    রুট, বুটলোডার ও কারসাজি ধরা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানের টেকনিশিয়ান দিয়ে লক ভাঙানোর চেষ্টা ধরা পড়ে।
    • কোন ফোনে কী ধরনের চেষ্টা, কখন — সব লেখা থাকে।
    • গুরুত্ব আর ধরন দিয়ে সতর্কতা ছেঁকে দেখা যায়।
    • অ্যাপ বন্ধের চেষ্টা আর রিসেটের চেষ্টা সবসময় লক করে।
    • ফোনের সুরক্ষা ঠিক আছে কি না, যাচাই করা যায়।
    • কাস্টমারের সাথে কথা বলে মিটলে “সমাধান” চাপুন।
    • ড্যাশবোর্ডে লাল সতর্কতা দেখায় — চোখ এড়ায় না।
    • নিরাপত্তা ঘটনার আলাদা রিপোর্ট পাওয়া যায়।

    ফোন রুট করা, বুটলোডার আনলক, ডেভেলপার মোড বা USB debugging চালু, লকারের পারমিশন বন্ধ — এমন চেষ্টা ধরা পড়লে নিরাপত্তা সতর্কতা হিসেবে প্যানেলে আসে।

  6. ৪.৬
    চুপ হয়ে যাওয়া ফোন চিহ্নিত ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অ্যাপ চুপ করিয়ে রাখার কৌশল ধরা পড়ে।
    • যে ফোন খবর দিচ্ছে না, সেটা আলাদা করে চোখে পড়ে।
    • ভুল করে লক হয় না — শুধু আপনাকে জানায়।
    • কাস্টমারকে ফোন করে সময়মতো খোঁজ নেওয়া যায়।
    • শেষ কবে অনলাইন ছিল, তা ফোনের পাতায় থাকে।
    • বড় ক্ষতির আগে সমস্যা চোখে পড়ে।
    • নিয়মিত নিজে থেকে যাচাই হয়।
    • হাতে খুঁজে বের করার সময় বাঁচে।

    কোনো ফোন অনেকক্ষণ কোনো খবর না দিলে সেটাকেই সন্দেহ ধরা হয় — ফোনটা নিরাপত্তা তালিকায় উঠে আসে, যাতে “সব ঠিক আছে” ভেবে ভুল না হয়।

  7. ৪.৭
    রিলিজ PIN — নিজে নিজে লগআউট বন্ধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অ্যাপ থেকে বের হয়ে লক এড়ানোর পথ বন্ধ।
    • PIN শুধু দোকান জানে, গোপনে রাখা হয়।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও PIN বদলানো যায়।
    • রিলিজ হওয়া ফোনে কাস্টমার নিজের মতো লগআউট করতে পারেন।
    • দরকারে দোকানেই PIN দিয়ে কাজ সেরে ফেলা যায়।
    • স্টাফ চলে গেলে PIN বদলে নিলেই হলো।
    • কোনো ঝামেলার অ্যাপ সেটিং লাগে না।
    • সুরক্ষার আরেকটা স্তর যোগ হয়।

    কিস্তি চলাকালীন কাস্টমার অ্যাপ থেকে লগআউট বা সুরক্ষা বন্ধ করতে পারেন না — তার জন্য দোকানের গোপন PIN লাগে। কিস্তি শেষে রিলিজ করলে আর লাগে না।

৫. লোকেশন ও নজরদারি

কোন ফোন কোথায়, কোনটা অনলাইনে, কোথায় গোলমাল — এক নজরে।

  1. ৫.১
    লাইভ লোকেশন ও লোকেশন ইতিহাস ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার উধাও হলেও ফোন কোথায়, জানা যায়।
    • এক চাপে ফোনের এখনকার লোকেশন চাওয়া যায়।
    • ম্যাপে চাপ দিলে সরাসরি জায়গাটা খোলে।
    • কবে কোথায় ছিল — লোকেশন ইতিহাস আলাদা পাতায়।
    • শেষ কখন অনলাইন ছিল আর চার্জ কত, তাও দেখায়।
    • আদায়ে যাওয়ার আগে কাস্টমার কোথায় আছেন, ধারণা পাওয়া যায়।
    • শুধু অনুমতি পাওয়া স্টাফই লোকেশন দেখতে পান।
    • কিস্তি শেষে রিলিজ করলে লোকেশন নেওয়া বন্ধ হয়।

    প্রতিটা কিস্তির ফোনের শেষ অবস্থান ম্যাপে দেখা যায়, আর “অবস্থান শনাক্ত করুন” চাপলে ফোন তখনই নতুন লোকেশন পাঠায়। আগের লোকেশনগুলোর ইতিহাসও থাকে।

  2. ৫.২
    জিওফেন্স — এলাকার বাইরে গেলে লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ফোন নিয়ে অন্য জেলায় পালানোর চেষ্টা থামে।
    • প্রতিটা ফোনের এলাকা আলাদা করে ঠিক করা যায়।
    • দরকার না হলে এক চাপে এলাকা মুছে ফেলা যায়।
    • এলাকার বাইরে গেলে সতর্কতা প্যানেলে আসে।
    • ঝুঁকিপূর্ণ কাস্টমারের জন্য বাড়তি সুরক্ষা।
    • নিয়ম বন্ধ রাখলে শুধু এলাকাটা রেকর্ডে থাকে।
    • ফোন নিজেই এলাকা মিলিয়ে দেখে।
    • দূরে থেকেও কাস্টমারের গতিবিধি বোঝা যায়।

    কোনো ফোনের জন্য একটা এলাকা ঠিক করে দিন। ফোন সেই এলাকার বাইরে গেলে লক হবে — চালু করবেন কি না, লক রুলস থেকে আপনিই ঠিক করেন।

  3. ৫.৩
    লাইভ ওয়াল — সব ফোন এক পর্দায় ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাউন্টারে বসেই পুরো লকারের অবস্থা চোখের সামনে।
    • আজকের আদায় সরাসরি বাড়তে দেখা যায়।
    • নতুন পেমেন্ট আর সতর্কতা সাথে সাথে আসে।
    • ম্যাপে সবুজ মানে অনলাইন — এক নজরে বোঝা যায়।
    • ওয়াল মোডে পুরো পর্দা জুড়ে দেখায়।
    • রিফ্রেশ চাপতে হয় না।
    • দোকানদার অ্যাপেও লাইভ ওয়াল আছে।
    • স্টাফরা সারাদিন সজাগ থাকে।

    দোকানের টিভি বা বড় মনিটরে খুলে রাখার মতো পাতা — কতগুলো ফোন অনলাইনে, আজ কত আদায়, কোন ফোনে সতর্কতা আর সব ফোনের ম্যাপ, নিজে থেকেই হালনাগাদ হয়।

  4. ৫.৪
    লকার ড্যাশবোর্ড ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সকালে একবার দেখলেই আজ কোথায় নজর দিতে হবে বোঝা যায়।
    • মোট বকেয়া আর তারিখ পার হওয়া কাস্টমারের সংখ্যা উপরেই।
    • সচল, লক, ছাড়া পাওয়া — রঙে ভাগ করে দেখায়।
    • কার্ডে চাপ দিলে পুরো তালিকা খোলে।
    • লাল নিরাপত্তা সতর্কতা উপরেই চোখে পড়ে।
    • নিচের ম্যাপে সব ফোনের অবস্থান।
    • মোবাইল ব্রাউজারেও সুন্দর দেখায়।
    • দোকানদার অ্যাপে একই ড্যাশবোর্ড।

    লকারে ঢুকলেই প্রথম পাতায় মোট কাস্টমার, কিস্তির ফোন, কতগুলো লক, মোট বকেয়া, বাকি ক্রেডিট আর ফোনের অবস্থা — নিচে সব ফোনের ম্যাপ।

  5. ৫.৫
    নিরাপত্তা সতর্কতা ও Telegram অ্যালার্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কারসাজির খবর কয়েক সেকেন্ডে দোকানে পৌঁছায়।
    • নিজের Telegram বট আর চ্যাটে অ্যালার্ট — দোকানের বাইরে থেকেও জানবেন।
    • খোলা আর সমাধান হওয়া সতর্কতা আলাদা দেখা যায়।
    • কখন, কোন ফোনে, কী হয়েছে — পরিষ্কার লেখা।
    • দোকানদার অ্যাপে নতুন সতর্কতা এলে জানিয়ে দেয়।
    • মিটে গেলে “সমাধান করুন” চেপে তালিকা পরিষ্কার রাখুন।
    • সতর্কতার পুরো ইতিহাস রিপোর্টে পাওয়া যায়।
    • রাতেও কিছু চোখ এড়ায় না।

    সিম বদল, রিসেটের চেষ্টা, অ্যাপ বন্ধের চেষ্টা — সব সতর্কতা নিরাপত্তা পাতায় জমা হয়। চাইলে দোকানের নিজের Telegram-এ সাথে সাথে পৌঁছায়।

  6. ৫.৬
    হারানো ফোন চিহ্নিত করা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হারানো ফোন আর বকেয়া ফোন আলাদা করে চেনা যায়।
    • শেষ লোকেশন খুঁজে বের করতে সাহায্য করে।
    • ফোন আবার অনলাইনে এলে জানা যায়।
    • কাস্টমারের অভিযোগের রেকর্ড থাকে।
    • ফোনের পাতা থেকে এক চাপে কাজ।
    • তালিকায় স্ট্যাটাস দিয়ে ছেঁকে দেখা যায়।
    • অন্য কেউ ফোনটা ব্যবহার করতে পারে না।
    • দোকানের সুনাম রক্ষা হয় — কাস্টমারের পাশে থাকা যায়।

    কাস্টমারের ফোন চুরি বা হারিয়ে গেলে ফোনের পাতা থেকে “হারানো” চিহ্নিত করুন — ফোনটা আলাদা অবস্থায় চলে যায়, লোকেশন আর রেকর্ড হাতে থাকে।

৬. দূর থেকে আরও নিয়ন্ত্রণ

শুধু লক না — ফোনের পাতা থেকে আরও অনেক কাজ দূর থেকেই।

  1. ৬.১
    ফোনের পুরো পাতা — এক জায়গায় সব ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • একটা ফোনের সব খবর এক পাতায়।
    • ফোন এখন অনলাইনে কি না, সাথে সাথে বোঝা যায়।
    • চার্জ কত, সেটাও দেখা যায়।
    • IMEI ভুল হলে পাতা থেকেই ঠিক করা যায়।
    • কবে কী কমান্ড গেছে আর পৌঁছেছে কি না — ইতিহাসে আছে।
    • কিস্তির চুক্তি নিচেই, আলাদা খুঁজতে হয় না।
    • ফোনে কোন কোন অ্যাপ আছে, তার তালিকা দেখা যায়।
    • দোকানদার অ্যাপেও ঠিক একই নিয়ন্ত্রণ।

    প্রতিটা ফোনের আলাদা পাতায় কাস্টমার, IMEI, চার্জ, শেষ অনলাইন, লোকেশন, কিস্তির চুক্তি আর কমান্ড ইতিহাস — আর সব নিয়ন্ত্রণের বোতাম।

  2. ৬.২
    নোটিশ, পপআপ আর অ্যালার্ম ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • লক না করে আগে ভদ্রভাবে মনে করানো যায়।
    • পপআপ লক পর্দার উপরেও আসে — কাস্টমার এড়াতে পারেন না।
    • বোতামের লেখাও আপনি ঠিক করেন।
    • অ্যালার্মের শব্দে কাস্টমারের মনোযোগ পাওয়া যায়।
    • SMS খরচ ছাড়াই বার্তা পৌঁছায়।
    • কিস্তির আগের দিন মনে করাতে কাজে লাগে।
    • পাঠানো বার্তা কমান্ড ইতিহাসে থাকে।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও পাঠানো যায়।

    কাস্টমারের ফোনে সাধারণ নোটিশ পাঠান, অথবা এমন পপআপ যেটা বোতাম না চাপা পর্যন্ত সরে না, অথবা শব্দসহ অ্যালার্ম — লক না করেই মনে করিয়ে দিন।

  3. ৬.৩
    ওয়ালপেপার বদল ও ক্যামেরা বন্ধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সতর্কতার ওয়ালপেপার প্রতিবার ফোন খুললেই চোখে পড়ে।
    • পুরো লকের আগে একটা মাঝামাঝি পথ।
    • ক্যামেরা বন্ধ হলে কাস্টমার দ্রুত যোগাযোগ করেন।
    • এক চাপে আগের ওয়ালপেপার ফেরত।
    • এক চাপে ক্যামেরা আবার চালু।
    • ফোনের বাকি কাজ স্বাভাবিক থাকে।
    • বকেয়ার ধাপে ধাপে নিজে থেকেও এগুলো হতে পারে।
    • সব কাজের রেকর্ড থাকে।

    দূর থেকে ফোনের ওয়ালপেপারে কিস্তির সতর্কতা বসান, আবার আগের মতো ফিরিয়ে দিন। দরকার হলে ক্যামেরা বন্ধ করে চাপ দিন, টাকা দিলে চালু করুন।

  4. ৬.৪
    নির্দিষ্ট অ্যাপ লক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • পুরো ফোন লক না করে শুধু পছন্দের অ্যাপ বন্ধ।
    • কাস্টমার জরুরি কাজ চালাতে পারেন, বিনোদন বন্ধ।
    • অ্যাপের তালিকা ফোন থেকেই হালনাগাদ হয়।
    • এক চাপে লক, এক চাপে খোলা।
    • Device Owner ফোনে আরও শক্তভাবে কাজ করে।
    • লক করা অ্যাপ খুললে ঢাকনা পড়ে যায়।
    • বকেয়া মিটলে সব অ্যাপ আবার খুলে দিন।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও করা যায়।

    ফোনে থাকা অ্যাপের তালিকা থেকে যেকোনো অ্যাপে চাপ দিয়ে সেটা লক করুন — যেমন গেম বা সোশ্যাল মিডিয়া। পুরো ফোন বন্ধ না করেও চাপ দেওয়া যায়।

  5. ৬.৫
    রিবুট ও স্ক্রিন PIN দূর থেকে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • আটকে থাকা ফোন দূর থেকেই রিস্টার্ট।
    • স্ক্রিন PIN বসিয়ে ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখা যায়।
    • কাস্টমার PIN ভুলে গেলে মুছে দেওয়া যায়।
    • দোকানে আসা-যাওয়ার খরচ আর সময় বাঁচে।
    • প্রতিটা কাজ অনুমতি দিয়ে সুরক্ষিত।
    • কমান্ড ইতিহাসে রেকর্ড থাকে।
    • ফোন অফলাইনে থাকলে নেট পেলেই কার্যকর।
    • সাপোর্টের কাজ সহজ হয়।

    দূর থেকে ফোন রিস্টার্ট দিন, আর দরকার হলে ফোনের স্ক্রিন লকে PIN বসান বা মুছে দিন — কাস্টমারকে দোকানে না এনেও।

  6. ৬.৬
    ফোন-ভিত্তিক নিয়মের ব্যতিক্রম ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বিশ্বস্ত কাস্টমারকে ছাড় দেওয়া যায়।
    • ঝুঁকিপূর্ণ কাস্টমারের জন্য কড়া নিয়ম রাখা যায়।
    • বিদেশে বা দূরে কাজে যাওয়া কাস্টমারের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।
    • এক চাপে আবার দোকানের সাধারণ নিয়মে ফেরা।
    • সব ফোনের নিয়ম আলাদা করে বসাতে হয় না।
    • বদল সাথে সাথে ফোনে পৌঁছায়।
    • কে বদলাল, অডিট লগে থাকে।
    • নিয়ম আর বাস্তবতার মধ্যে মিল রাখা যায়।

    দোকানের সাধারণ লক রুলস সবার জন্য, কিন্তু কোনো একটা ফোনে আলাদা নিয়ম চাইলে সেই ফোনের পাতা থেকে বদলে দিন — বাকিদের উপর প্রভাব পড়ে না।

৭. কিস্তির চুক্তি

খাতার বদলে পরিষ্কার চুক্তি — কে কত দিল, কত বাকি, কবে তারিখ।

  1. ৭.১
    কিস্তির হিসাব নিজে থেকে তৈরি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ক্যালকুলেটর আর খাতা লাগে না।
    • মাসিক, সাপ্তাহিক, দৈনিক — তিন ধরনের কিস্তি।
    • বাকি টাকার উপর লাভ % নিজে থেকেই যোগ হয়।
    • কিস্তির টাকা গোল সংখ্যায় রাউন্ড হয় — নিতে-দিতে সুবিধা।
    • প্রথম কিস্তি কবে, সেটাও ঠিক করা যায়।
    • সংখ্যা বদলালেই সময়সূচি সাথে সাথে বদলায়।
    • চুক্তি নম্বর দিয়ে পরে সহজে খোঁজা যায়।
    • লাভ কত হলো, চুক্তিতেই দেখা যায়।

    দাম, ডাউন পেমেন্ট, লাভ %, কিস্তির সংখ্যা আর ধরন দিলেই প্রতিটা কিস্তির তারিখ আর টাকা তৈরি হয়ে যায় — গোল সংখ্যায় রাউন্ড করার সুবিধাসহ।

  2. ৭.২
    জামিনদার ও কাস্টমারের কাগজপত্র ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার পালালে খুঁজে পেতে কাগজপত্র হাতে থাকে।
    • জামিনদার থাকায় কাস্টমার দায়িত্ব নিয়ে কিস্তি দেন।
    • NID-র ছবি সুরক্ষিত জায়গায় থাকে, লগইন ছাড়া কেউ দেখতে পারে না।
    • কাগজের ফাইল হারানোর ভয় নেই।
    • জামিনদারের আলাদা রিপোর্ট পাওয়া যায়।
    • চুক্তিপত্রে সব তথ্য নিজে থেকে বসে।
    • একই কাস্টমার আবার এলে তথ্য আগে থেকেই থাকে।
    • মামলা বা বিবাদে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।

    কাস্টমারের NID, ঠিকানা, ছবি আর NID কার্ডের দুই পাশের ছবি রাখুন। চুক্তিতে জামিনদারের নাম, ফোন আর NID যোগ করুন — চুক্তিপত্রেও আসে।

  3. ৭.৩
    চুক্তিপত্র প্রিন্ট — নিজের শর্তে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হাতে লেখা চুক্তির ঝামেলা শেষ।
    • দোকানের নিজের শর্ত লেখা থাকে।
    • কাস্টমার আর জামিনদারের তথ্য নিজে থেকে বসে।
    • কিস্তির পুরো সময়সূচি চুক্তিপত্রে থাকে।
    • সই করা কাগজ কাস্টমারকে দায়িত্বশীল করে।
    • যেকোনো সময় আবার প্রিন্ট করা যায়।
    • দোকানকে পেশাদার দেখায়।
    • বিবাদ হলে লিখিত প্রমাণ।

    প্রতিটা চুক্তির চুক্তিপত্র এক চাপে প্রিন্ট, কাস্টমারের সই নেওয়ার জন্য। দোকানের নাম আর শর্তগুলো একবার নিজের মতো সাজিয়ে রাখুন।

  4. ৭.৪
    কিস্তি পুনঃতফসিল ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার হারানোর বদলে নতুন সুযোগ দেওয়া যায়।
    • টাকা আটকে না থেকে আস্তে আস্তে আদায় হয়।
    • আগের সময়সূচি মুছে যায় না, ইতিহাস থাকে।
    • নতুন তারিখ ধরে লক নিয়মও চলে।
    • পুনঃতফসিলের আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • কাস্টমার নতুন সময়সূচি অ্যাপে দেখতে পান।
    • হিসাব উল্টাপাল্টা হয় না।
    • দোকানের সুনাম বাড়ে — মানবিক ব্যবস্থা।

    কাস্টমার বিপদে পড়লে বাকি কিস্তিগুলোর তারিখ আর ভাগ নতুন করে সাজান। আগের আর নতুন সময়সূচি — দুটোরই রেকর্ড থাকে।

  5. ৭.৫
    চুক্তির তালিকা, স্টেটমেন্ট ও খতিয়ান ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • চলমান, মেয়াদোত্তীর্ণ আর শেষ হওয়া চুক্তি আলাদা দেখা যায়।
    • কার কিস্তি আজ, কে দেরি করছেন — সাথে সাথে বোঝা যায়।
    • চুক্তি নম্বর বা নাম দিয়ে খুঁজে বের করা যায়।
    • কাস্টমার হিসাব চাইলে স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করে দিন।
    • প্রতিটা কিস্তি — দেওয়া, বাকি না সামনে — রঙে বোঝা যায়।
    • কাস্টমারের সব চুক্তি তাঁর পাতায় একসাথে।
    • ডিফল্টার আর বকেয়ার রিপোর্ট আলাদা।
    • মুখের কথায় হিসাব নিয়ে তর্ক হয় না।

    সব চুক্তি এক তালিকায় — কত কিস্তি দেওয়া হয়েছে (যেমন ৩/৬), কত বাকি, কত দিন দেরি। প্রতিটা চুক্তি আর কাস্টমারের লেনদেনের স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করা যায়।

৮. কিস্তি আদায় ও পেমেন্ট

দোকানে, অনলাইনে বা কাস্টমারের ফোন থেকে — যেভাবেই টাকা আসুক, হিসাব এক জায়গায়।

  1. ৮.১
    কিস্তি আদায় লেখা — রসিদসহ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • টাকা লেখার সাথে সাথে বকেয়া ঠিক হয়ে যায়।
    • লক থাকলে ফোন নিজে থেকেই খুলে যায়।
    • কাস্টমার পেমেন্টের SMS পেতে পারেন।
    • রসিদ প্রিন্ট বা লিংকে শেয়ার করা যায়।
    • টাকা দোকানের হিসাবের খাতাতেও উঠে যায়।
    • কাস্টমারের পাতা থেকে যেকোনো চুক্তির কিস্তি নেওয়া যায়।
    • আংশিক টাকাও নেওয়া যায়।
    • কোন স্টাফ কত আদায় করলেন, তার রিপোর্ট আছে।

    কাস্টমার টাকা দিলে চুক্তি বা কাস্টমারের পাতা থেকে পেমেন্ট লিখুন, কোন হিসাবে (ক্যাশ/বিকাশ/ব্যাংক) নিলেন বাছুন। রসিদ প্রিন্ট বা শেয়ার হয়, বকেয়া কমে।

  2. ৮.২
    আদায়ের তালিকা ও ভুল পেমেন্ট রিভার্স ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দিন শেষে আজ কত আদায় হলো, মিলিয়ে নেওয়া যায়।
    • পুরোনো পেমেন্ট নাম বা চুক্তি নম্বর দিয়ে খোঁজা যায়।
    • পুরোনো রসিদ আবার প্রিন্ট করা যায়।
    • ভুল টাকা লিখলে ভয় নেই — রিভার্স করে আবার লিখুন।
    • রিভার্স করলে হিসাবের খাতাও ঠিক হয়।
    • তারিখ দিয়ে ছেঁকে দেখা যায়।
    • কে রিভার্স করল, তা রেকর্ডে থাকে।
    • মাস শেষে আদায়ের রিপোর্ট তৈরি থাকে।

    সব কিস্তি আদায় এক তালিকায় — মোট কত এল, কে দিলেন, কবে। ভুল করে লিখলে “রিভার্স” চাপুন, বকেয়া আগের মতো হয়ে যায়।

  3. ৮.৩
    লক পর্দা থেকেই অনলাইনে কিস্তি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমারকে দোকানে আসতে হয় না — আদায় দ্রুত হয়।
    • টাকা এলেই নিজে থেকে আনলক, স্টাফের কিছু করতে হয় না।
    • রাতে বা ছুটির দিনেও কিস্তি আসে।
    • নিজের bKash বা EPS মার্চেন্ট দিয়েও চালানো যায়।
    • অনলাইনে আসা টাকা Wallet-এ জমা থাকে, সেখান থেকে তোলা যায়।
    • পেমেন্ট নিজে থেকে যাচাই হয় — জাল স্ক্রিনশটের ভয় নেই।
    • কাস্টমার অ্যাপের হোম থেকেও পেমেন্ট করা যায়।
    • চালু-বন্ধ পুরোটা দোকানের হাতে।

    অনলাইন পেমেন্ট চালু করলে কাস্টমার লক হওয়া ফোন থেকেই বিকাশে (bKash) কিস্তি দিতে পারেন। টাকা এলে ফোন কয়েক সেকেন্ডে খুলে যায়, টাকা জমা হয় আপনার Wallet-এ।

  4. ৮.৪
    কাস্টমারের পাঠানো পেমেন্ট অনুমোদন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানের পার্সোনাল নম্বরে টাকা নিলেও হিসাব থাকে।
    • ট্রানজেকশন আইডি আর স্ক্রিনশট পাশাপাশি দেখা যায়।
    • অপেক্ষমাণ পেমেন্ট তালিকার একদম উপরে থাকে।
    • মিলে গেলে অনুমোদন, না মিললে কারণসহ বাতিল।
    • অনুমোদনের সাথে সাথে ফোন আনলক।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও অনুমোদন দেওয়া যায়।
    • কাস্টমার নিজের অ্যাপে পেমেন্টের অবস্থা দেখতে পান।
    • কোন পেমেন্ট কে অনুমোদন দিল, রেকর্ডে থাকে।

    কাস্টমার বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় বা ব্যাংকে টাকা পাঠিয়ে অ্যাপ থেকে ট্রানজেকশন আইডি বা স্ক্রিনশট জমা দেন। আপনি মিলিয়ে অনুমোদন দিলেই কিস্তি জমা আর ফোন খোলা।

  5. ৮.৫
    কিস্তির SMS রিমাইন্ডার ও পেমেন্ট লিংক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • প্রতিদিন নিজে থেকে রিমাইন্ডার যায় — মনে রাখতে হয় না।
    • লিংকে লগইন ছাড়াই কাস্টমার নিজের বকেয়া দেখেন।
    • লিংক অনুমান করে অন্যের হিসাব দেখা যায় না।
    • SMS-এর লেখা নিজের মতো বদলে নেওয়া যায়।
    • কত দিন আগে মনে করাবেন, সেটা ঠিক করা যায়।
    • কিস্তি জমা, চুক্তি শেষ — এসবের SMS-ও যায়।
    • কাস্টমারের ভুলে যাওয়ার অজুহাত থাকে না।
    • SMS রিপোর্টে কোনটা গেল দেখা যায়।

    কিস্তির তারিখ এলে বা পার হলে কাস্টমারকে নিজে থেকেই SMS যায়, সাথে একটা লিংক — লিংকে চাপলে নিজের বকেয়া দেখে অনলাইনে টাকা দিতে পারেন।

  6. ৮.৬
    কিস্তি শেষে ফোন রিলিজ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমারকে ঝামেলাহীন মুক্তি — দোকানের সুনাম বাড়ে।
    • রিলিজের পর লোকেশন নেওয়া বন্ধ হয়।
    • কাস্টমার ফোন নিজের মতো ব্যবহার করতে পারেন।
    • চুক্তি শেষের SMS কাস্টমারকে পাঠানো যায়।
    • ভুল রিলিজ হলে পুরোনো রেকর্ড আবার চালু করা যায়।
    • শেষ হওয়া চুক্তির আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • একই কাস্টমারকে পরের বার আবার কিস্তিতে দিতে ভরসা পান।
    • রিলিজ কে করল, অডিট লগে থাকে।

    শেষ কিস্তি পেলে “ডিভাইস রিলিজ” চাপুন — ফোন থেকে লকারের নিয়ন্ত্রণ পরিষ্কারভাবে সরে যায়, ফোন পুরোপুরি কাস্টমারের। ভুল হলে রেকর্ড আবার চালুও করা যায়।

  7. ৮.৭
    লকারের রিপোর্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কে ডিফল্টার, এক তালিকায় নাম আর বকেয়া।
    • মাসের আদায়ের লক্ষ্য কতটা পূরণ হলো, দেখা যায়।
    • কোন স্টাফ কত আদায় করলেন, আলাদা রিপোর্ট।
    • কিস্তির সময়সূচি ধরে সামনের আদায় আগে থেকে জানা যায়।
    • কোন ফোন কোন চুক্তিতে — মিলিয়ে দেখা যায়।
    • জামিনদারের তালিকাও রিপোর্টে।
    • প্রিন্ট করে মিটিংয়ে ব্যবহার করা যায়।
    • দোকানদার অ্যাপেও লকার রিপোর্ট দেখা যায়।

    কিস্তি আদায়, মেয়াদোত্তীর্ণ কিস্তি, ডিফল্টার, ডাউন পেমেন্ট, চুক্তির তালিকা, ফোনের অবস্থা, কমান্ড লগ, নিরাপত্তা ঘটনা — লকারের সব রিপোর্ট তারিখ ধরে।

🏪
০২

দোকান ম্যানেজমেন্ট

বিক্রি, স্টক, কেনা, বাকি, মেরামত, স্টাফ আর হিসাব — মোবাইল দোকানের পুরো খাতা এক সফটওয়্যারে।

মোবাইল দোকানের জন্যই বানানো — প্রতিটা ফোন IMEI ধরে চলে, এক্সেসরিজ গোনা হয় পিসে। বিক্রি, কেনা, খরচ যা-ই করুন, স্টক আর হিসাবের খাতা নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। মাস শেষে লাভ-ক্ষতি দেখতে আর খাতা মেলাতে হয় না।

১. বিক্রি (POS)

কাউন্টারে দ্রুত, নির্ভুল বিক্রি — স্ক্যান, টাকা নিন, মেমো।

  1. ১.১
    IMEI বা বারকোড স্ক্যানে বিক্রি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ঠিক যে সেটটা দিলেন, সেই IMEI-ই বিক্রি হয় — ভুল হয় না।
    • বিক্রির সাথে সাথে স্টক কমে যায়।
    • ফোনের ওয়ারেন্টি কাস্টমারের নামে শুরু হয়।
    • মোবাইল ক্যামেরা দিয়েও স্ক্যান — আলাদা যন্ত্র না থাকলেও চলে।
    • নাম লিখে Enter চাপলেও পণ্য চলে আসে।
    • স্টকে নেই এমন IMEI বিক্রি হতে দেয় না।
    • ব্ল্যাকলিস্ট করা IMEI হলে সতর্ক করে।
    • ভিড়ের সময় বিল কাটতে কম সময় লাগে।

    ফোনের IMEI বা পণ্যের বারকোড স্ক্যান করলেই পণ্য বিলে চলে আসে। স্ক্যানার না থাকলে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়েও স্ক্যান, অথবা নাম লিখে খোঁজা।

  2. ১.২
    নগদ, বিকাশ, কার্ড — এক বিলে একাধিক পেমেন্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার যেভাবে দিতে চান, সেভাবেই নেওয়া যায়।
    • প্রতিটা টাকা ঠিক হিসাবে (ক্যাশ/ব্যাংক/বিকাশ) যোগ হয়।
    • বাকি দিলে কাস্টমারের খাতায় নিজে থেকে লেখা হয়।
    • বাকি দিলে কাস্টমার বাছাই বাধ্যতামূলক — নামহীন বাকি হয় না।
    • কার্ড মেশিনের চার্জ নিজে থেকে খরচে যায়।
    • দিন শেষে কোন হিসাবে কত এল, মিলে যায়।
    • পেমেন্টের ইতিহাস ইনভয়েসে ছাপা হয়।
    • বিল শেষে মেমো প্রিন্টের পাতা নিজে খোলে।

    কিছু টাকা নগদে, কিছু বিকাশে, বাকিটা পরে — এক বিলেই সব লেখা যায়। বাকি থাকলে কাস্টমারের নামে প্রাপ্য হিসেবে উঠে যায়।

  3. ১.৩
    ছাড়, দাম বদল আর তার সীমা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দরদাম করা কাস্টমারকে সাথে সাথে ছাড়।
    • লাইনে লাইনে আলাদা ছাড়ও দেওয়া যায়।
    • স্টাফের ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া যায়।
    • কেনা দামের নিচে বিক্রি আটকানো যায়।
    • কত ছাড় দেওয়া হলো, তার আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • ছাড়ের পরেও লাভ কত, বিক্রিতেই দেখায়।
    • দাম বদলের অনুমতিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
    • মালিক না থাকলেও লাভ সুরক্ষিত থাকে।

    প্রতিটা পণ্যের লাইনে বা পুরো মেমোতে টাকায় বা শতাংশে ছাড় দিন। স্টাফ সর্বোচ্চ কত ছাড় দিতে পারবে বা কেনা দামের নিচে বেচতে পারবে কি না — সেটিংসে ঠিক করুন।

  4. ১.৪
    POS থেকেই কিস্তিতে বিক্রি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • নগদ আর কিস্তির বিক্রি একই কাউন্টারে।
    • কিস্তির হিসাব নিজে থেকে তৈরি।
    • বিক্রিটা স্টক আর হিসাবেও ঠিকঠাক ওঠে।
    • এক চাপে সেই বিক্রি লকারে তোলা যায়।
    • কিস্তির আদায় প্রাপ্য তালিকায় দেখা যায়।
    • আজ-কাল কার কিস্তি, আলাদা করে দেখায়।
    • কিস্তির কাস্টমার আর নগদ কাস্টমার একই তালিকায়।
    • কিস্তির বিক্রিতে লাভও আলাদা হিসাব হয়।

    বিক্রির পাতায় “কিস্তি (EMI)” ট্যাব বাছুন — ডাউন পেমেন্ট, কিস্তির সংখ্যা আর লাভ % দিলেই কিস্তির তালিকা তৈরি। পরে লকারে তুলে ফোন সুরক্ষিত করুন।

  5. ১.৫
    সার্ভিস আইটেম — বীমা, স্ক্রিন প্রোটেকশন, ডেলিভারি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বাড়তি আয় বিলেই উঠে আসে, আলাদা খাতা লাগে না।
    • সার্ভিসে স্টক গোনার ঝামেলা নেই।
    • প্রতিটা সার্ভিসে আলাদা দাম রাখা যায়।
    • সার্ভিস বিক্রিতেও স্টাফ কমিশন দেওয়া যায়।
    • রিপোর্টে সার্ভিসের আয় আলাদা দেখা যায়।
    • মেমোতে পরিষ্কারভাবে ছাপা হয়।
    • নতুন সার্ভিস যোগ করা এক মিনিটের কাজ।
    • ছোট ছোট আয় হারিয়ে যায় না।

    যেসব জিনিসের স্টক নেই কিন্তু দাম আছে — বীমা, স্ক্রিন প্রোটেকশন, ডেলিভারি চার্জ, EMI ফি — সার্ভিস হিসেবে রাখুন, বিক্রিতে পণ্যের মতোই যোগ করুন।

  6. ১.৬
    বিক্রয়কর্মী বাছাই ও কমিশন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মাস শেষে কমিশন নিয়ে তর্ক থাকে না।
    • স্টাফ বেশি বিক্রিতে উৎসাহ পান।
    • কোন পণ্যে কমিশন দেবেন, আলাদা করে ঠিক করা যায়।
    • কমিশন রিপোর্টে কার কত, কোন মেমো থেকে — সব আছে।
    • চাইলে স্টাফ কমিশনের SMS পান।
    • বিক্রি মুছলে কমিশনও ঠিক হয়ে যায়।
    • কে সবচেয়ে বেশি বেচলেন, রিপোর্টে দেখা যায়।
    • বেতনের সাথে কমিশন মিলিয়ে দেওয়া সহজ।

    বিক্রির সময় কে বিক্রি করলেন বেছে দিন — লাভের % বা পণ্যপ্রতি নির্দিষ্ট টাকা ধরে তাঁর কমিশন নিজে থেকে হিসাব হয়ে তাঁর ওয়ালেটে জমা হয়।

২. ইনভয়েস ও মেমো

পছন্দের সাইজে মেমো, QR দিয়ে যাচাই, ভুল হলে সহজে ঠিক।

  1. ২.১
    POS রসিদ, প্যাড আর ৬ রকম A4 মেমো ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • যেকোনো প্রিন্টারে মেমো বের করা যায়।
    • দোকানের লোগো সব মেমোতে নিজে থেকে আসে।
    • ফোনের IMEI আর ওয়ারেন্টি শেষের তারিখ মেমোতে ছাপা থাকে।
    • কোন সাইজ আগে খুলবে, সেটিংসে ঠিক করা যায়।
    • বিক্রি শেষে সরাসরি প্রিন্টের পাতা খুলতে পারে।
    • পুরোনো যেকোনো মেমো আবার প্রিন্ট করা যায়।
    • PDF করে WhatsApp-এ পাঠানো যায়।
    • পেশাদার মেমো দোকানের ভাবমূর্তি বাড়ায়।

    ছোট থার্মাল প্রিন্টারের রসিদ, দোকানের ছাপানো প্যাড, বা বড় A4 কাগজের ছয়টা আলাদা ডিজাইন — যেটা পছন্দ বাছুন। PDF করে কাস্টমারকে পাঠানোও যায়।

  2. ২.২
    মেমোতে QR — আসল-নকল যাচাই ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • নকল বা ঘষামাজা করা মেমো ধরা পড়ে।
    • কাস্টমার নিজের ফোনে মেমো দেখতে পান।
    • মেমো হারালেও QR থেকে তথ্য পাওয়া যায়।
    • QR-এর কোড অনুমান করে অন্যের মেমো দেখা যায় না।
    • ওয়ারেন্টি দাবির সময় যাচাই দ্রুত হয়।
    • দোকানের উপর কাস্টমারের আস্থা বাড়ে।
    • পেমেন্টের ইতিহাসও দেখা যায়।
    • আলাদা কিছু করতে হয় না, নিজে থেকেই ছাপা হয়।

    প্রতিটা মেমোতে একটা QR থাকে। কাস্টমার মোবাইলে স্ক্যান করলে মেমোটা অনলাইনে দেখতে পান — নকল মেমো দিয়ে ওয়ারেন্টি দাবি ধরা সহজ।

  3. ২.৩
    ইনভয়েস এডিট ও মুছে ফেলা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ভুল হলে ভয় নেই — ঠিক করার সহজ পথ আছে।
    • এডিট করলে হিসাবের খাতা নিজে থেকে মেলে।
    • মুছে দিলে টাকার হিসাবও উল্টে যায়।
    • IMEI আবার “স্টকে” ফিরে আসে।
    • কে এডিট বা মুছল, অডিট লগে থাকে।
    • এডিট-মোছার অনুমতি শুধু বিশ্বস্ত লোককে দিন।
    • প্রতিটা বিক্রিতে কত লাভ, তালিকাতেই দেখা যায়।
    • আজ, গতকাল, এই মাস — তারিখ দিয়ে ছাঁকা যায়।

    ভুল দাম, পণ্য বা পেমেন্ট দিয়ে ফেললে মেমো এডিট করুন — স্টক, ক্যাশ আর লাভের হিসাব নিজে থেকেই ঠিক হয়। পুরো বিক্রি বাতিল করলে মাল স্টকে ফেরে।

  4. ২.৪
    নিজের মতো ইনভয়েস নম্বর ও VAT ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানের নিজস্ব নম্বরের ধারা বজায় থাকে।
    • বছরে বছরে নম্বর নতুন করে শুরু করা যায়।
    • VAT লাগলে চালু, না লাগলে বন্ধ।
    • ট্যাক্স দামের ভেতরে না বাইরে — দুটোই সম্ভব।
    • রেজিস্ট্রেশন নম্বর মেমোতে ছাপা যায়।
    • পুরোনো সফটওয়্যারের নম্বর থেকে চালিয়ে যাওয়া যায়।
    • তারিখ, মুদ্রা আর দশমিকের ধরন নিজের মতো।
    • একবার ঠিক করলে সব মেমোতে চলে।

    ইনভয়েস নম্বরের আগে-পরে নিজের লেখা, কত অঙ্কের নম্বর, বছর শেষে নতুন করে শুরু — সব ঠিক করা যায়। দরকার হলে VAT/ট্যাক্স চালু করে মেমোতে দেখান।

৩. ফেরত, এক্সচেঞ্জ ও কোটেশন

বিক্রির পরের ঝামেলাও পরিষ্কার হিসাবে।

  1. ৩.১
    বিক্রয় ফেরত — মূল মেমো থেকেই ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ফেরতের হিসাব আলাদা খাতায় রাখতে হয় না।
    • ভালো মাল আবার বিক্রির জন্য স্টকে ফেরে।
    • নষ্ট মাল স্টকে না তুলে আলাদা রাখা যায়।
    • টাকা ফেরত কোন হিসাব থেকে, লেখা থাকে।
    • লাভের হিসাব নিজে থেকে ঠিক হয়।
    • ফেরতের আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • পুরো না, আংশিক ফেরতও নেওয়া যায়।
    • মূল মেমোর সাথে ফেরত জুড়ে থাকে।

    কাস্টমার মাল ফেরত দিলে মূল মেমো থেকে কোন পণ্য কয়টা ফিরল দিন। মাল আবার স্টকে ওঠে (নষ্ট হলে না), আর কোন হিসাব থেকে টাকা ফেরত দিলেন তা লেখা হয়।

  2. ৩.২
    অন্য পণ্যের সাথে বদল (এক্সচেঞ্জ) ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • টাকা দোকানের ভেতরেই থাকে।
    • দামের পার্থক্য নিজে থেকে হিসাব হয়।
    • দুই পণ্যেরই স্টক ঠিক থাকে।
    • কাস্টমার খুশি, বিক্রিও হারায় না।
    • এক্সচেঞ্জের SMS কাস্টমারকে যেতে পারে।
    • সব এক্সচেঞ্জ এক জায়গায় খোঁজা যায়।
    • ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ কমে।
    • কাউন্টারের লোক সহজে করতে পারেন।

    টাকা ফেরত না দিয়ে অন্য মাল দিলে “অন্য পণ্যের সাথে বদল” বাছুন — শুধু দামের পার্থক্যটুকু লেনদেন হয়। সব ফেরত আর এক্সচেঞ্জ এক তালিকায় দেখা যায়।

  3. ৩.৩
    পুরনো ফোন নিয়ে নতুন দেওয়া (ট্রেড-ইন) ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • এক বিলেই কেনা-বেচা দুটো হয়ে যায়।
    • পুরনো ফোন IMEI সহ স্টকে উঠে আবার বিক্রির জন্য তৈরি।
    • গ্রেড (A, B, C) আর ব্যাটারি % লিখে রাখা যায়।
    • কাস্টমারকে আর কত দিতে হবে, সাথে সাথে দেখায়।
    • পুরনো ফোনের কেনা দাম ধরে পরে লাভ হিসাব হয়।
    • বাজারের প্রায় সব মডেল তালিকায় আগে থেকেই আছে।
    • ট্রেড-ইনে বিক্রি বাড়ে।
    • আলাদা কাগজে লেখার ঝামেলা নেই।

    কাস্টমার পুরনো ফোন দিয়ে নতুন নিলে বিক্রির পাতাতেই ট্রেড-ইন — পুরনো ফোনের মডেল, IMEI, গ্রেড, ব্যাটারি আর দাম দিন। দাম নতুনটা থেকে কেটে যায়, পুরনোটা স্টকে ওঠে।

  4. ৩.৪
    কোটেশন — দামের প্রস্তাব ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বড় অর্ডারের কাস্টমারকে পেশাদারভাবে দাম জানানো যায়।
    • কোটেশনে স্টক কমে না, হিসাবও হয় না।
    • দাম কতদিন বহাল, মেয়াদ লেখা থাকে।
    • তালিকায় না থাকা জিনিসও নাম লিখে দেওয়া যায়।
    • রাজি হলে আবার টাইপ না করে সরাসরি বিক্রি।
    • সব কোটেশন এক তালিকায় খোঁজা যায়।
    • প্রিন্ট বা PDF করে পাঠানো যায়।
    • কর্পোরেট বিক্রি ধরতে সুবিধা।

    অফিস বা প্রতিষ্ঠান একসাথে কয়েকটা ফোন নিতে চাইলে আগে কোটেশন দিন — মেয়াদসহ, প্রিন্ট বা PDF। রাজি হলে এক চাপে বিক্রিতে রূপান্তর।

৪. বাকি আদায় ও কাস্টমার

কার কাছে কত পাবেন — খাতা ছাড়াই, নাম ধরে।

  1. ৪.১
    প্রাপ্য — কার কাছে কত বাকি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মোট কত টাকা বাজারে পড়ে আছে, এক নম্বরে।
    • আজকের আর কালকের আদায় আলাদা কার্ডে।
    • টাকা পেলে লিখলেই বাকি কমে, ক্যাশে যোগ হয়।
    • কাস্টমার রসিদ SMS পেতে পারেন।
    • এক চাপে নাম আর বাকির পরিমাণসহ মনে করানোর SMS।
    • পুরোনো বাকির বয়স অনুযায়ী রিপোর্ট আছে।
    • কাস্টমারের বাকির সীমা ঠিক করা যায়।
    • বাকির খাতা হারানোর ভয় নেই।

    বাকিতে বিক্রি করলে টাকা কাস্টমারের নামে প্রাপ্য তালিকায় জমা থাকে। আজ আর কাল কার টাকা দেওয়ার দিন — উপরে আলাদা দেখায়। টাকা পেলে “সংগ্রহ করুন”।

  2. ৪.২
    কাস্টমার প্রোফাইল ও খতিয়ান ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার এলে নাম বা নম্বর দিয়ে এক সেকেন্ডে খুঁজে পান।
    • কে কী কিনেছেন, কবে — পুরো ইতিহাস।
    • দোকান আর লকারের কাস্টমার একই তালিকায়।
    • খতিয়ান প্রিন্ট করে হিসাব নিয়ে তর্ক মেটান।
    • NID আর ছবি সুরক্ষিতভাবে রাখা থাকে।
    • কাস্টমার তালিকার রিপোর্ট নামানো যায়।
    • বিক্রির সময় ওখান থেকেই নতুন কাস্টমার যোগ।
    • ভালো কাস্টমার চিনে রাখা সহজ।

    প্রতিটা কাস্টমারের পাতায় ফোন নম্বর, NID, ঠিকানা, ছবি, সব কেনাকাটা, কিস্তি আর বাকি। খতিয়ান বা স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করে কাস্টমারকে দেওয়া যায়।

  3. ৪.৩
    কাস্টমার ওয়ালেট — অগ্রিম টাকা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অগ্রিম নেওয়া টাকা হারিয়ে যায় না।
    • ব্যালেন্সের বেশি তোলা যায় না।
    • প্রতিটা জমা-তোলায় নোট লেখা যায়।
    • কাস্টমার ওয়ালেট জমার SMS পেতে পারেন।
    • তারিখ দিয়ে লেনদেন খোঁজা যায়।
    • অর্ডারের অগ্রিম রাখার সহজ উপায়।
    • কাস্টমারের আস্থা বাড়ে।
    • আলাদা খাতা রাখতে হয় না।

    কাস্টমার আগে থেকে টাকা জমা রাখলে তাঁর ওয়ালেটে রাখুন — জমা, তোলা বা সমন্বয় লিখুন। কার ওয়ালেটে কত আছে, সবসময় পরিষ্কার।

  4. ৪.৪
    এলাকা ও এলাকাভিত্তিক স্টাফ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • আদায়ের কাজ এলাকা ধরে ভাগ করা যায়।
    • স্টাফ অন্য এলাকার কাস্টমারের তথ্য দেখতে পান না।
    • কোন এলাকায় বকেয়া বেশি, বোঝা সহজ।
    • নতুন স্টাফকে এলাকা বুঝিয়ে দেওয়া সহজ।
    • একজন স্টাফকে একাধিক এলাকা দেওয়া যায়।
    • মালিক সব এলাকা একসাথে দেখেন।
    • মাঠের কাজে জবাবদিহি বাড়ে।
    • কাস্টমারের তথ্য সুরক্ষিত থাকে।

    কাস্টমারদের এলাকা অনুযায়ী ভাগ করুন আর প্রতিটা এলাকায় স্টাফ বসান। মাঠের আদায়কারী শুধু নিজের এলাকার কাস্টমার দেখেন।

৫. কেনা ও সাপ্লায়ার

মাল কেনা থেকে সাপ্লায়ারের বাকি — সব হিসাব নিজে থেকেই।

  1. ৫.১
    নতুন ক্রয় — IMEI স্ক্যান করে স্টকে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • স্ক্যান করে Enter চাপলেই পরের IMEI-র লাইন।
    • IMEI গুনে নিজে থেকেই সংখ্যা বসে।
    • ডুয়াল সিম ফোনের দ্বিতীয় IMEI-ও রাখা যায়।
    • একাধিক হিসাব থেকে টাকা দেওয়া যায়।
    • পুরো টাকা না দিলে বাকি সাপ্লায়ারের খাতায় ওঠে।
    • নতুন কেনা দামে পণ্যের দাম নিজে থেকে হালনাগাদ হতে পারে।
    • ভুল হলে মুছে দিলে স্টক আর টাকা উল্টে যায়।
    • ক্রয়ের ভাউচার প্রিন্ট করা যায়।

    সাপ্লায়ার, চালান নম্বর দিন, পণ্য স্ক্যান করুন, ফোন হলে প্রতিটা সেটের IMEI স্ক্যান করুন। সেভ করলে মাল স্টকে, সাপ্লায়ারের বাকি খাতায় আর টাকা ক্যাশ থেকে কাটে।

  2. ৫.২
    অর্ডার করা থেকে মাল পাওয়া পর্যন্ত ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অর্ডার করা আর হাতে আসা মাল আলাদা থাকে।
    • মাল না আসা পর্যন্ত স্টকে ভুল সংখ্যা ওঠে না।
    • সাপ্লায়ারকে ফেরত দিলে স্টক আর বাকি দুটোই ঠিক হয়।
    • সাপ্লায়ার আর সময় দিয়ে ক্রয় ছাঁকা যায়।
    • কোন ক্রয়ে কত বাকি, তালিকাতেই দেখায়।
    • ক্রয়ের সারাংশ আর বিস্তারিত রিপোর্ট আছে।
    • কেনা বনাম বিক্রির তুলনা রিপোর্টে দেখা যায়।
    • এক কাগজেই অর্ডার আর গ্রহণ।

    মাল আগে অর্ডার করে পরে এলে ক্রয়ের স্ট্যাটাস “অর্ডার করা” রাখুন, মাল হাতে এলে “গৃহীত” করুন। খারাপ মাল এলে সাপ্লায়ারকে ফেরতও দেওয়া যায়।

  3. ৫.৩
    সাপ্লায়ার খতিয়ান ও পরিশোধ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সব সাপ্লায়ারকে মিলিয়ে কত দেনা, এক নম্বরে।
    • সাপ্লায়ারের সাথে হিসাব মেলানো সহজ।
    • স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করে সাপ্লায়ারকে দেখানো যায়।
    • পরিশোধ ক্যাশ/ব্যাংক/বিকাশ — যেখান থেকে দিলেন।
    • সাপ্লায়ারকে পেমেন্টের SMS পাঠানো যায়।
    • দেনার রিপোর্ট আলাদা।
    • চালান নম্বর ধরে পুরোনো ক্রয় খোঁজা যায়।
    • কাউকে দুইবার টাকা দেওয়ার ভুল হয় না।

    প্রতিটা সাপ্লায়ারের খতিয়ানে কবে কত টাকার মাল নিলেন, কবে কত দিলেন — তারিখ ধরে। টাকা দিলে কোন হিসাব থেকে দিলেন লিখুন, স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করুন।

  4. ৫.৪
    পুরনো ফোন কেনা — KYC ও চুক্তিসহ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • চোরাই ফোন কিনে ঝামেলায় পড়ার ভয় কমে।
    • বিক্রেতা বৈধ মালিক — এই ঘোষণা লিখিত থাকে।
    • ডিসপ্লে, টাচ, ক্যামেরা, চার্জিং — চেকলিস্টে টিক।
    • গ্লাস ফাটা বা আগে মেরামত — সব লেখা থাকে।
    • চুক্তিপত্রের শর্ত একবার নিজের মতো সাজান।
    • ফোন IMEI সহ স্টকে উঠে বিক্রির জন্য তৈরি।
    • বিক্রেতাকে কোন হিসাব থেকে টাকা দিলেন, লেখা থাকে।
    • ব্ল্যাকলিস্টের IMEI হলে সতর্ক করে।

    কেউ পুরনো ফোন বেচতে এলে বিক্রেতার NID, ঠিকানা আর আইডির ছবি, ফোনের IMEI, গ্রেড, ব্যাটারি আর চেকলিস্ট লিখুন। ফোন স্টকে ওঠে, চুক্তিপত্র প্রিন্ট হয়।

  5. ৫.৫
    Excel দিয়ে পণ্য ইমপোর্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • শুরুর দিনেই পুরো পণ্য তালিকা তৈরি।
    • শত শত পণ্য কয়েক মিনিটে।
    • পুরোনো সফটওয়্যার ছাড়তে ভয় থাকে না।
    • টাইপের ভুল কমে।
    • নতুন মৌসুমের মালও একসাথে তোলা যায়।
    • ফাইলের ঘর মিলিয়ে নেওয়া সহজ।
    • স্টাফকে বসিয়ে রাখতে হয় না।
    • তোলার পরে যেকোনো পণ্য এডিট করা যায়।

    পুরোনো সফটওয়্যার বা খাতার সব পণ্য Excel/CSV ফাইলে সাজিয়ে একবারে তুলুন — একটা একটা করে টাইপ করার দরকার নেই।

৬. স্টক ও IMEI

প্রতিটা ফোন আলাদা করে চেনা — কোনটা দোকানে, কোনটা কার কাছে।

  1. ৬.১
    পণ্য তালিকা — ফোনের মডেল আগে থেকেই দেওয়া ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মডেলের নাম টাইপ করতে হয় না, বানানও ভুল হয় না।
    • ফোন IMEI ধরে, এক্সেসরিজ পিস ধরে — দুই ধরনই।
    • একই মডেলের আলাদা ভ্যারিয়েন্ট আলাদা দামে।
    • স্টক কমে গেলে “কম স্টক” সতর্কতা।
    • হাতে কয়টা আর কত টাকার মাল, তালিকাতেই।
    • প্রতিটা পণ্যের আলাদা প্রোফাইল পাতা।
    • SKU নিজে থেকে তৈরি হতে পারে।
    • ব্র্যান্ড বা ধরন দিয়ে ছেঁকে দেখা যায়।

    ব্র্যান্ড, মডেল, ভ্যারিয়েন্ট (RAM/ROM), রং বাছলেই পণ্যের নাম তৈরি। বাজারের প্রায় সব ফোনের মডেল আগে থেকেই তালিকায়। কেনা-বেচার দাম আর কম স্টকের সীমা দিন।

  2. ৬.২
    ক্যাটাগরি ও ব্র্যান্ড ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হাজার পণ্যের মধ্যেও খোঁজা সহজ।
    • কোন ভাগে লাভ বেশি, রিপোর্টে বোঝা যায়।
    • ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিক্রির রিপোর্ট আছে।
    • ব্র্যান্ড-মডেল অনুযায়ী বিক্রির রিপোর্টও আছে।
    • প্রতিটা ভাগে কয়টা পণ্য, পাশে লেখা থাকে।
    • নতুন ভাগ যোগ করা এক মিনিটের কাজ।
    • অনলাইন শপেও ভাগ ধরে পণ্য সাজানো থাকে।
    • মাল তোলার পরিকল্পনা সহজ হয়।

    পণ্যগুলোকে ভাগে সাজান — স্মার্টফোন, চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক, কাভার। এক্সেসরিজের ব্র্যান্ডও যোগ করুন। রিপোর্টে কোন ভাগ থেকে কত বিক্রি আর লাভ, দেখা যায়।

  3. ৬.৩
    IMEI ইউনিট ও IMEI-র পুরো ইতিহাস ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার ফোন নিয়ে এলে সাথে সাথে বিক্রির তথ্য।
    • কেনা থেকে বিক্রি পর্যন্ত IMEI-র পুরো যাত্রা দেখা যায়।
    • প্রতিটা সেটের নিজস্ব কেনা দাম — লাভ নিখুঁত।
    • স্ট্যাটাস দিয়ে ছেঁকে দেখা যায়।
    • IMEI রেজিস্টার রিপোর্ট আলাদা।
    • ওয়ারেন্টি দাবির সময় যাচাই সহজ।
    • চুরি বা পুলিশি জিজ্ঞাসায় তথ্য হাতে থাকে।
    • একই মডেলের দশটা সেটও আলাদা করে চেনা যায়।

    প্রতিটা ফোন সেট তার IMEI দিয়ে আলাদা লাইনে থাকে — স্টকে, বিক্রিত, ফেরত বা ক্ষতিগ্রস্ত। IMEI-র শেষ কয়েকটা সংখ্যা লিখলেই কবে, কত দামে, কাকে বিক্রি — সব বেরিয়ে আসে।

  4. ৬.৪
    IMEI ব্ল্যাকলিস্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • চোরাই ফোন কেনার ঝুঁকি কমে।
    • সমস্যার ফোন আবার বিক্রি হয়ে যাওয়া আটকায়।
    • কারণসহ তালিকায় রাখা যায়।
    • পুরনো ফোন কেনার সময় বিশেষ কাজে লাগে।
    • স্টাফ ভুলে গেলেও সফটওয়্যার মনে রাখে।
    • দরকার হলে তালিকা থেকে সরানো যায়।
    • দোকানের সুনাম রক্ষা হয়।
    • আইনি ঝামেলা থেকে দূরে থাকা যায়।

    চুরি যাওয়া বা সন্দেহজনক IMEI ব্ল্যাকলিস্টে রাখুন। ওই IMEI কেনা বা বিক্রির সময় সফটওয়্যার সতর্ক করে দেয়।

  5. ৬.৫
    বারকোড ও QR লেবেল প্রিন্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • বিক্রির সময় শুধু স্ক্যান — নাম খুঁজতে হয় না।
    • যত মাল, তত স্টিকার — সংখ্যা নিজে থেকে বসে।
    • সাধারণ প্রিন্টার আর লেবেল প্রিন্টার, দুটোতেই।
    • স্টিকারের মাপ না মিললে নিজে মাপ দেওয়া যায়।
    • সেটিংস একবার সেভ করলে পরেরবার নিজে আসে।
    • IMEI দিয়ে খুঁজেও লেবেল বানানো যায়।
    • দাম লেখা স্টিকারে দরদাম কমে।
    • দোকান গোছানো আর পেশাদার দেখায়।

    পণ্যের গায়ে লাগানোর বারকোড বা QR স্টিকার — A4 স্টিকার শিটে বা লেবেল প্রিন্টারের রোলে। দোকানের নাম, দাম, ওয়ারেন্টি দেখাবে কি না, টিক দিয়ে ঠিক করুন।

  6. ৬.৬
    স্টক সমন্বয় ও স্টক লেজার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • স্টকের গরমিল কোথা থেকে এল, ধরা যায়।
    • প্রতিটা সমন্বয়ে কারণ লেখা থাকে।
    • কে সমন্বয় করল, রেকর্ডে থাকে।
    • সমন্বয়ের আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • স্টক মুভমেন্ট রিপোর্ট তারিখ ধরে।
    • চুরি বা হারানো মাল দ্রুত ধরা পড়ে।
    • বছর শেষের গণনা সহজ হয়।
    • কাগজের রেজিস্টার রাখতে হয় না।

    গুনে দেখে সংখ্যা না মিললে কারণ লিখে স্টক সমন্বয় করুন। স্টক লেজারে প্রতিটা ঢোকা-বের হওয়া লেখা থাকে — কোথায় কম-বেশি হলো, খুঁজে পাওয়া যায়।

  7. ৬.৭
    স্টক মূল্য, কম স্টক ও অচল মাল ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানে কত টাকা আটকে আছে, এক নম্বরে।
    • কম স্টকের তালিকা দেখে সময়মতো অর্ডার।
    • অচল মাল চিনে ছাড় দিয়ে বের করা যায়।
    • ফোনের মূল্য নিখুঁত — প্রতিটা সেটের আলাদা দাম।
    • সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া পণ্যের রিপোর্ট আছে।
    • ব্যাংক বা পার্টনারকে স্টকের হিসাব দেখানো সহজ।
    • টাকা কোথায় খাটাবেন, সিদ্ধান্ত সহজ।
    • ড্যাশবোর্ডেও স্টক মূল্য দেখায়।

    দোকানে এখন কেনা দামে কত টাকার মাল আছে — ফোন প্রতিটা IMEI-র আসল কেনা দামে। কোন মাল কমে গেছে আর কোনটা অনেকদিন বিক্রি হচ্ছে না, আলাদা রিপোর্টে।

৭. মেরামত ও ওয়ারেন্টি

নষ্ট ফোন জমা নেওয়া থেকে ডেলিভারি, আর বিক্রির পরের ওয়ারেন্টি — সব ট্র্যাকে।

  1. ৭.১
    জব কার্ড ও কাস্টমার স্লিপ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাগজের স্লিপ হারানোর ঝামেলা নেই।
    • জব নম্বর, IMEI বা নাম দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়।
    • আনুমানিক খরচ আগেই লেখা থাকে — পরে তর্ক হয় না।
    • কাস্টমারের কাছে কত পাওনা, জবেই দেখায়।
    • জমা নেওয়ার সময় কাস্টমার SMS পেতে পারেন।
    • ডেলিভারির তারিখ লেখা থাকে।
    • জব কোন মেকানিকের হাতে, লেখা থাকে।
    • জব রেজিস্টার রিপোর্ট আছে।

    নষ্ট ফোন জমা নিলে একটা জব খুলুন — IMEI, মডেল, সমস্যা, আনুমানিক খরচ আর কবে দেবেন। কাস্টমার একটা স্লিপ পান।

  2. ৭.২
    কাজের ধাপ আর প্রতিটা ধাপে SMS ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার বারবার ফোন করে খোঁজ নেন না।
    • কোন জব কোথায় আটকে আছে, এক নজরে।
    • “প্রস্তুত” করলেই কাস্টমার SMS পান।
    • মেরামত সম্ভব না হলেও ভদ্রভাবে জানানো যায়।
    • অপেক্ষমাণ জবের আলাদা রিপোর্ট।
    • ডেলিভারির পরে জব বন্ধ হয়।
    • SMS-এর লেখা নিজের মতো সাজানো যায়।
    • কাজের গতি বাড়ে।

    গৃহীত → কাজ চলছে → সার্ভিস সেন্টারে পাঠানো → প্রস্তুত → ডেলিভারি। স্ট্যাটাস বদলালে কাস্টমার SMS পান, মেরামত না হলে সেটাও জানানো যায়।

  3. ৭.৩
    মেকানিক ও সার্ভিস সেন্টার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কোন মেকানিক কয়টা কাজ করলেন, রিপোর্টে।
    • মেকানিকের কমিশন নিয়ে তর্ক নেই।
    • বাইরের সেন্টারে কোন ফোন গেছে, ট্র্যাক থাকে।
    • সেন্টারের যোগাযোগ এক জায়গায়।
    • মেকানিকের কাজের মান তুলনা করা যায়।
    • কাজ ভাগ করে দেওয়া সহজ।
    • ফোন হারিয়ে যাওয়ার ভয় কমে।
    • মেরামতের আয়ের আলাদা রিপোর্ট।

    দোকানের মেকানিকদের তালিকা রাখুন — কে কোন জব করছেন, তাঁর কমিশন নিজে থেকে হিসাব। বাইরের সার্ভিস সেন্টারে পাঠালে সেটাও লেখা থাকে।

  4. ৭.৪
    না নেওয়া ফোনের রিমাইন্ডার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানে ফোনের স্তূপ জমে না।
    • মনে করাতে স্টাফকে ফোন করতে হয় না।
    • SMS বারবার গিয়ে বিরক্ত করে না — নিয়ম মেনে যায়।
    • বাকি টাকা দ্রুত আদায় হয়।
    • ডেলিভারি হলেই রিমাইন্ডার বন্ধ।
    • কাস্টমার ভুলে গেলেও ফোন হারায় না।
    • সব নিজে থেকে চলে।
    • দোকানের জায়গা আর দায় দুটোই কমে।

    মেরামত হয়ে “প্রস্তুত” থাকা ফোন কাস্টমার কয়েকদিন না নিলে নিজে থেকেই মনে করানোর SMS যায় — তারপর সপ্তাহে একবার, ডেলিভারি না হওয়া পর্যন্ত।

  5. ৭.৫
    ওয়ারেন্টি রেজিস্টার ও দাবি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • IMEI দিয়ে খুঁজলেই ওয়ারেন্টি আছে কি না জানা যায়।
    • ওয়ারেন্টির মেয়াদ বিক্রির সময় নিজে থেকে শুরু।
    • দাবি গ্রহণ আর প্রস্তুত — দুই সময়েই SMS যেতে পারে।
    • দেওয়া ওয়ারেন্টির রিপোর্ট আছে।
    • দাবির রিপোর্টও আলাদা।
    • মেয়াদ পেরোনো ওয়ারেন্টি সহজে চেনা যায়।
    • কাস্টমারের সাথে তর্ক কমে।
    • বিক্রির পরের সেবায় সুনাম বাড়ে।

    বিক্রি হওয়া প্রতিটা ফোনের ওয়ারেন্টি কবে শেষ, এক তালিকায়। কাস্টমার সমস্যা নিয়ে এলে দাবি খুলুন, অগ্রগতি ট্র্যাক করুন, প্রস্তুত হলে SMS।

৮. হিসাব ও অ্যাকাউন্টিং

ডেবিট-ক্রেডিট না জানলেও চলবে — সফটওয়্যার নিজেই খাতা লেখে।

  1. ৮.১
    দ্রুত আয় ও খরচ — বাকিতেও ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মাস শেষে আসল লাভ সঠিক দেখা যায়।
    • খরচের খাত ধরে রিপোর্ট — কোথায় টাকা যাচ্ছে।
    • পুরো, অর্ধেক বা বাকি — এক চাপে বসে।
    • কাকে দিলেন, প্রাপকের নাম লেখা থাকে।
    • ভাউচার প্রিন্ট বা লিংকে শেয়ার করা যায়।
    • ভুল হলে এডিট বা মুছে ফেলা যায়।
    • ড্যাশবোর্ড থেকেই এক চাপে খোলে।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও আয়-খরচ লেখা যায়।

    দোকান ভাড়া, বিল, নাস্তা থেকে সার্ভিস চার্জ — দুই ক্লিকে লিখুন। বিল এসেছে কিন্তু পরে দেবেন? “বাকিতে” রেখে তারিখ দিন, সময় হলে মনে করিয়ে দেয়।

  2. ৮.২
    নগদ, ব্যাংক, বিকাশ — আলাদা হিসাব ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কোথায় কত টাকা, এই মুহূর্তে জানা যায়।
    • সব হিসাব মিলিয়ে মোট টাকা এক নম্বরে।
    • কার্ডের চার্জ আলাদা হিসাব করতে হয় না।
    • হিসাবের কার্ডে চাপলে সব লেনদেন।
    • ক্যাশ থেকে ব্যাংকে জমা — ট্রান্সফার দিয়ে, খরচ হিসেবে না।
    • ব্যাংক স্টেটমেন্টের মতো রিপোর্ট।
    • শাখা থাকলে শাখার ক্যাশ আলাদা।
    • ক্যাশ বুক আর ডে বুক তৈরি থাকে।

    ক্যাশ ড্রয়ার, প্রতিটা ব্যাংক, বিকাশ/নগদ মার্চেন্ট, POS মেশিন — প্রতিটা আলাদা হিসাব, আলাদা ব্যালেন্স। POS মেশিনের চার্জ % একবার দিলে নিজে থেকে খরচে যায়।

  3. ৮.৩
    দিন শেষে ক্যাশ ক্লোজ ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ক্যাশের গরমিল সেদিনই ধরা পড়ে।
    • স্টাফের হাতে ক্যাশ রেখে নিশ্চিন্ত থাকা যায়।
    • পার্থক্য শূন্য মানে সব ঠিক।
    • প্রতিদিনের ক্লোজিং রিপোর্টে থাকে।
    • কারণসহ নোট পরে কাজে লাগে।
    • মালিক দূরে থেকেও ক্যাশ দেখতে পারেন।
    • দিন শেষের ক্লান্তিতে হিসাব ভুল হয় না।
    • অভ্যাস করলে মাস শেষে মাথাব্যথা নেই।

    সকালের ক্যাশ আর সারাদিনের বিক্রি-খরচ মিলিয়ে ড্রয়ারে কত থাকার কথা, সফটওয়্যার বলে দেয়। গুনে লিখুন — কম-বেশি হলে কারণ লিখে সংরক্ষণ।

  4. ৮.৪
    লাভ-ক্ষতি, ব্যালেন্স শিট — নিজে থেকেই ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হিসাবরক্ষক ছাড়াই পরিষ্কার খাতা।
    • যেকোনো তারিখের লাভ-ক্ষতি এক চাপে।
    • ব্যালেন্স শিটে দোকানের আসল অবস্থা।
    • নিজের হিসাবের খাত (চার্ট অব অ্যাকাউন্টস) সাজানো যায়।
    • দরকার হলে হাতে জার্নাল এন্ট্রিও দেওয়া যায়।
    • অর্থবছর কোন মাস থেকে, ঠিক করা যায়।
    • ব্যাংক লোন নিতে কাগজ দেখানো সহজ।
    • ভুল এন্ট্রি মুছলে খাতাও ঠিক হয়।

    বিক্রি, কেনা, কিস্তি, খরচ — প্রতিটা লেনদেন সফটওয়্যার নিজেই হিসাবের খাতায় (ডাবল-এন্ট্রি) তোলে। আয়-ব্যয়, ব্যালেন্স শিট, ট্রায়াল ব্যালেন্স, জার্নাল, লেজার সবসময় তৈরি।

  5. ৮.৫
    ব্যাংক মেলানো ও হিসাব ট্রান্সফার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ব্যাংকের হিসাব আর দোকানের খাতা এক থাকে।
    • কোন লেনদেন মেলেনি, আলাদা চোখে পড়ে।
    • টাকা সরানো খরচ হিসেবে ভুল করে ওঠে না।
    • দুই হিসাবের ব্যালেন্সই সাথে সাথে ঠিক।
    • ট্রান্সফারের রেকর্ড থাকে।
    • মাস শেষে মেলানোর সময় বাঁচে।
    • ব্যাংকের চার্জ বা ভুল দ্রুত ধরা পড়ে।
    • সব লেনদেন রিপোর্টে আসে।

    ব্যাংকের স্টেটমেন্টের সাথে সফটওয়্যারের হিসাব মেলান। ক্যাশ থেকে ব্যাংকে, বা বিকাশ থেকে ক্যাশে টাকা সরালে ট্রান্সফার দিয়ে লিখুন।

  6. ৮.৬
    স্থায়ী সম্পদ ও লোন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানের জিনিসপত্রের দাম আর অবস্থা জানা থাকে।
    • কোন স্টাফের কাছে কোন জিনিস, লেখা থাকে।
    • সম্পদের তালিকা প্রিন্ট করা যায়।
    • লোনের প্রতিটা কিস্তি আর বাকি পরিষ্কার।
    • লোনের সময়সূচি আর রেজিস্টার রিপোর্ট।
    • নেওয়া আর দেওয়া — দুই ধরনের লোনই রাখা যায়।
    • ব্যালেন্স শিটে সব নিজে থেকে আসে।
    • ব্যাংকের সাথে কথা বলতে কাগজ তৈরি।

    দোকানের ল্যাপটপ, এসি, ফার্নিচার — স্থায়ী সম্পদের তালিকা, কার কাছে আছে আর অবচয়। দোকানের নেওয়া বা দেওয়া লোন, তার কিস্তি আর বাকি — আলাদা হিসাবে।

  7. ৮.৭
    পার্টনার, মূলধন ও লাভ বণ্টন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কে কত দিলেন, কে কত তুললেন — সব রেকর্ড।
    • লাভ ভাগে ভুল বোঝাবুঝি থাকে না।
    • একই পিরিয়ডের লাভ দুইবার ভাগ হয় না।
    • মোট অংশ ১০০% না হলে বণ্টন হয় না।
    • প্রত্যেক পার্টনারের আলাদা স্টেটমেন্ট, প্রিন্টসহ।
    • পার্টনার নিজে লগইন করে শুধু নিজের অংশ দেখেন।
    • ভুল বণ্টন মুছে আবার করা যায়।
    • মূলধনের হিসাব ব্যালেন্স শিটের সাথে মেলে।

    দুই-তিনজনের টাকায় চলা দোকানে প্রত্যেকের অংশ %, মূলধন আর উত্তোলন আলাদা। মাস বা পিরিয়ড ধরে নিট লাভ % অনুযায়ী ভাগ, চাইলে কিছু রিজার্ভ রেখে।

৯. স্টাফ, হাজিরা ও বেতন

হাজিরা, অগ্রিম, কমিশন, বেতন — কাকে কত দিতে হবে, সবসময় পরিষ্কার।

  1. ৯.১
    স্টাফ প্রোফাইল ও স্টেটমেন্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কর্মীর সব তথ্য এক পাতায়।
    • বেতন কাঠামো একবার দিলেই হলো।
    • স্টেটমেন্ট দেখিয়ে হিসাব নিয়ে তর্ক মেটে।
    • কর্মী চলে গেলে হিসাব মিটিয়ে বিদায়।
    • নতুন কর্মী যোগ দিলে স্বাগত SMS।
    • চাইলে কর্মীকে প্যানেলে লগইন দিন।
    • সক্রিয় আর পুরোনো কর্মী আলাদা চেনা যায়।
    • কাগজের ফাইল রাখতে হয় না।

    প্রতিটা কর্মীর নাম, পদবি, NID, যোগদানের তারিখ আর বেতন কাঠামো। কর্মীর সব লেনদেনের স্টেটমেন্ট প্রিন্ট করা যায়।

  2. ৯.২
    দৈনিক হাজিরা ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • হাজিরার খাতা লাগে না।
    • কে কতদিন অনুপস্থিত, এক নজরে।
    • বেতন কাটার হিসাবে কাজে লাগে।
    • মাসের হাজিরা একসাথে দেখা যায়।
    • মাস শেষে হাজিরা দেখে বেতন ঠিক করা সহজ।
    • কর্মীদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা বাড়ে।
    • বিবাদ হলে রেকর্ড হাতে।
    • কয়েক সেকেন্ডের কাজ।

    প্রতিদিন কে এলেন, কে এলেন না — এক ক্লিকে হাজিরা দিন। মাস শেষে বেতনের সাথে মিলিয়ে নেওয়া সহজ।

  3. ৯.৩
    কর্মীর ওয়ালেট ও অগ্রিম ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অগ্রিমের হিসাব মাথায় রাখতে হয় না।
    • কমিশন নিজে থেকে ওয়ালেটে জমা।
    • নগদ দিলে ওয়ালেট থেকে দিন — হিসাব মিলে যায়।
    • অগ্রিম নিলে কর্মী SMS পান।
    • বেতন জমা হলে SMS যেতে পারে।
    • কর্মীর ব্যালেন্স যেকোনো সময় দেখা যায়।
    • কর্মী-মালিক সম্পর্ক স্বচ্ছ থাকে।
    • সব লেনদেন হিসাবের খাতায় ওঠে।

    প্রতিটা কর্মীর একটা ওয়ালেট — বিক্রির কমিশন সেখানে জমা হয়, অগ্রিম নিলে কাটে, মাস শেষে বেতন যোগ হয়। কাকে কত দিতে হবে, সবসময় পরিষ্কার।

  4. ৯.৪
    এক চাপে মাসিক বেতন শিট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মাস শেষের বেতনের কাজ কয়েক মিনিটে।
    • বোনাস আর কর্তন আলাদা ঘরে।
    • এক চাপে সবার বেতন ওয়ালেটে জমা।
    • সইয়ের জন্য গোছানো শিট প্রিন্ট।
    • বেতন খরচ হিসেবে খাতায় ওঠে।
    • বেতনের আলাদা রিপোর্ট আছে।
    • আগের মাসের শিটও দেখা যায়।
    • হিসাবের ভুলে কর্মী অসন্তুষ্ট হন না।

    মাস বাছুন, “বেতন তৈরি করুন” চাপুন — সব সক্রিয় কর্মীর খসড়া শিট তৈরি। বোনাস, কর্তন লিখে সবার পরিশোধ করুন, সইয়ের জন্য শিট প্রিন্ট করুন।

  5. ৯.৫
    বিক্রয় কমিশন রিপোর্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কমিশনের প্রতিটা টাকার উৎস দেখা যায়।
    • তারিখ আর কর্মী দিয়ে ছাঁকা যায়।
    • সেরা বিক্রেতাকে পুরস্কার দেওয়া সহজ।
    • বিক্রয়কর্মী অনুযায়ী বিক্রির রিপোর্টও আছে।
    • বিক্রির লক্ষ্য কতটা পূরণ, রিপোর্টে।
    • কর্মীকে রিপোর্ট দেখিয়ে স্বচ্ছতা।
    • কমিশনের হিসাব বেতনের সাথে মেলানো সহজ।
    • প্রিন্ট করে রাখা যায়।

    কোন কর্মী কোন সময়ে কত বিক্রি করলেন আর কত কমিশন পেলেন — প্রত্যেকের নামে আলাদা যোগফল, কোন মেমো থেকে কত।

১০. ড্যাশবোর্ড ও রিপোর্ট

ব্যবসা কেমন চলছে — অনুমানে না, সংখ্যায়।

  1. ১০.১
    দোকানের ড্যাশবোর্ড ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • সকালে এক নজরেই দোকানের অবস্থা।
    • কোন দিন ভালো গেল, চার্টে দেখা যায়।
    • কার্ডে চাপলে পুরো তালিকা।
    • নতুন বিক্রি, দ্রুত আয়, দ্রুত ব্যয় — বোতাম উপরেই।
    • / চেপে যেকোনো পাতার নাম লিখে সরাসরি যাওয়া যায়।
    • মোবাইলেও সুন্দর দেখায়।
    • শাখা বেছে শাখার হিসাব দেখা যায়।
    • মালিক দূরে থেকেও দোকানের খবর রাখেন।

    দোকানে ঢুকলেই আজকের বিক্রি, এই মাসের কেনা, স্টক মূল্য, কাস্টমারের কাছে পাওনা আর সাপ্লায়ারের দেনা — সাথে শেষ ১৪ দিনের বিক্রি আর লাভের চার্ট।

  2. ১০.২
    ৮০-র বেশি রিপোর্ট, এক জায়গায় ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • যেকোনো প্রশ্নের উত্তর রিপোর্টে।
    • প্রতিটা রিপোর্টে তারিখ বাছা যায়।
    • প্রিন্ট বা Excel-এ নামানো যায়।
    • “লাভ”, “IMEI”, “স্টক” লিখলেই দরকারি রিপোর্ট সামনে।
    • কোন রিপোর্ট কে দেখবেন, অনুমতি দিয়ে ঠিক করা যায়।
    • শাখা ধরে ছাঁকা যায়।
    • স্ক্রিনে দেখা বা প্রিন্ট — যেটা সুবিধা।
    • হিসাবরক্ষকের কাজ অনেক কমে।

    বিক্রি, লাভ, স্টক, IMEI, কিস্তি, কাস্টমার, সাপ্লায়ার, স্টাফ, মেরামত, হিসাব — সব রিপোর্ট নম্বর দিয়ে সাজানো। বাংলায় লিখে খুঁজলেও পাবেন।

  3. ১০.৩
    বিক্রি ও লাভের রিপোর্ট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কোন পণ্যে লাভ বেশি, সেটা বেশি তুলুন।
    • কম লাভের পণ্য চিনে দাম ঠিক করুন।
    • এ বছর আর আগের বছরের তুলনা।
    • বিক্রির ক্যালেন্ডারে ভালো-খারাপ দিন।
    • পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী বিক্রি।
    • মাসিক টপ শিট এক পাতায়।
    • ছাড় কত দিলেন, আলাদা রিপোর্ট।
    • সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

    বিক্রির সারাংশ, পণ্য-ব্র্যান্ড-ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিক্রি, তারিখ অনুযায়ী লাভ, পণ্যের লাভের হার, সাপ্তাহিক-মাসিক সারাংশ আর বছরের তুলনা।

  4. ১০.৪
    শাখা ও স্টাফের পারফরম্যান্স ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দুর্বল শাখা সময়মতো চোখে পড়ে।
    • সেরা কর্মীকে চিনে পুরস্কার।
    • আদায়কারীর জবাবদিহি বাড়ে।
    • বিক্রির লক্ষ্য বনাম অর্জন।
    • মেকানিকের পারফরম্যান্স আলাদা।
    • এক শাখার সাফল্য অন্য শাখায় শেখানো যায়।
    • তারিখ ধরে তুলনা করা যায়।
    • অনুমানের বদলে সংখ্যায় সিদ্ধান্ত।

    কোন শাখা কেমন চলছে, কোন বিক্রয়কর্মী কত বেচলেন, কোন স্টাফ কত আদায় করলেন, কোন মেকানিক কত কাজ করলেন — তুলনামূলক রিপোর্ট।

📱
০৩

অ্যাপ, অনলাইন ও আরও

মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন শপ, SMS আর একাধিক শাখা — দোকান চলে যেখান থেকেই থাকুন।

দোকানের বাইরে থেকেও ফোন সামলান দোকানদার অ্যাপে, কাস্টমার নিজের কিস্তি দেখেন নিজের অ্যাপে, আর দোকানের পণ্য অনলাইনে দেখান নিজের ওয়েবসাইটে। সাথে SMS, চার ভাষা, শাখা, স্টাফের অনুমতি আর নিরাপত্তার সব ব্যবস্থা।

১. মোবাইল অ্যাপ

দোকানদার, এনরোলকারী আর কাস্টমার — তিনজনের জন্য আলাদা অ্যাপ।

  1. ১.১
    দোকানদার অ্যাপ — পকেটে লকার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দোকানের বাইরে থেকেও ফোন লক-আনলক।
    • ফোনের পাতায় ওয়েবের মতোই সব নিয়ন্ত্রণ।
    • নতুন সতর্কতা এলে অ্যাপ জানিয়ে দেয়।
    • কাস্টমারের ফোনে নিজের গলায় ভয়েস মেসেজ পাঠানো যায়।
    • কাস্টমারের পাঠানো পেমেন্ট অ্যাপ থেকেই অনুমোদন।
    • দ্রুত আয়-খরচ লেখার শর্টকাট আছে।
    • নিজে নিজে হালনাগাদ হয় — রিফ্রেশ চাপতে হয় না।
    • বাংলা, English, اردو, नेपाली — চার ভাষায়।

    দোকানদারের Android অ্যাপে লকারের সব কাজ — ফোনের তালিকা, নতুন ফোন যোগ, লক-আনলক, চুক্তি, আদায়, লাইভ ওয়াল, লক রুলস, সতর্কতা আর ক্রেডিট।

  2. ১.২
    কাস্টমার অ্যাপ — কিস্তি নিজের হাতে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমার নিজেই দেখেন কত বাকি — বারবার ফোন করেন না।
    • bKash Pay দিয়ে সরাসরি কিস্তি দেওয়া যায়।
    • অন্য উপায়ে পাঠালে আইডি বা স্ক্রিনশট জমা দেওয়া যায়।
    • দোকানের সাথে চ্যাট — দোকানের উত্তর সেখানেই আসে।
    • অ্যাপের নিচে আপনার দোকানের নাম, ফোন আর WhatsApp।
    • দোকানের তথ্য বদলালে অ্যাপ আপডেট ছাড়াই বদলায়।
    • কিস্তির নোটিশ আর পপআপ অ্যাপেই আসে।
    • কাস্টমারের ভাষায় অ্যাপ চলে।

    কিস্তির ফোনেই কাস্টমারের অ্যাপ — বকেয়া, পরের তারিখ, কিস্তির সময়সূচি আর পেমেন্টের ইতিহাস। সেখান থেকেই কিস্তি দেওয়া আর দোকানে মেসেজ।

  3. ১.৩
    Enroll অ্যাপ ও ল্যাপটপ টুল ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • যেকোনো দোকানে, যেকোনো যন্ত্রে এনরোল।
    • একটায় না হলে আরেকটা দিয়ে — কোনো ফোন আটকায় না।
    • ধাপে ধাপে লেখা আর ভিডিও গাইড।
    • ব্র্যান্ড অনুযায়ী আলাদা সাহায্য।
    • অ্যাপ নতুন ভার্সন এলে জানিয়ে দেয়।
    • কোডিং বা কমান্ড জানতে হয় না।
    • স্টাফকে শেখানো সহজ।
    • প্রতি ফোনে একবারের কাজ।

    ফোন এনরোলের জন্য দুটো পথ — নিজের ফোনে Enroll অ্যাপ (OTG বা Wireless Debugging), অথবা Windows/Mac ল্যাপটপে টুল। দুটোই অ্যাপ পাতা থেকে নামানো যায়।

  4. ১.৪
    মোবাইল ব্রাউজারেই পুরো প্যানেল ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কম্পিউটার না থাকলেও দোকান চলে।
    • ফোনের ক্যামেরা দিয়ে IMEI-বারকোড স্ক্যান।
    • যেকোনো জায়গা থেকে লগইন।
    • একই অ্যাকাউন্ট কম্পিউটার আর ফোনে।
    • ফোনের হোম স্ক্রিনে অ্যাপের মতো রাখা যায়।
    • ফোন থেকেই মেমো প্রিন্ট বা PDF।
    • স্টাফ নিজের ফোনে কাজ করতে পারেন।
    • নতুন সুবিধা এলে সাথে সাথে পাবেন।

    আলাদা কিছু ইনস্টল না করেও ফোনের ব্রাউজারে লগইন করে দোকান আর লকারের সব কাজ করা যায় — পাতাগুলো ছোট পর্দায় মানিয়ে নেয়।

২. অনলাইন শপ ও অনলাইন লিংক

দোকানের পণ্য অনলাইনে, কাস্টমারের হাতে নিজের হিসাবের লিংক।

  1. ২.১
    নিজের অনলাইন শপ — স্টকের সাথে যুক্ত ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • আলাদা ওয়েবসাইট বানানো বা চালানোর ঝামেলা নেই।
    • কোন পণ্য অনলাইনে দেখাবে, আপনি বাছেন।
    • অনলাইনের দাম আর ছবি আলাদা করে দেওয়া যায়।
    • থিম, রং, হোম পেজের স্লাইডার নিজের মতো।
    • নিজের ডোমেইনেও চালানো যায়।
    • দাম, ব্র্যান্ড দিয়ে ছেঁকে পণ্য খোঁজার সুবিধা।
    • যোগাযোগ আর নীতিমালার পাতা সহজে সাজানো।
    • মোবাইলে সুন্দরভাবে খোলে।

    দোকানের নিজের একটা ওয়েবসাইট, যেখানে কাস্টমার পণ্য দেখে অর্ডার করেন। পণ্য আর স্টক দোকানের সফটওয়্যার থেকেই আসে — আলাদা করে তুলতে হয় না।

  2. ২.২
    অনলাইন অর্ডার সামলানো ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অর্ডার এলেই প্যানেলে দেখা যায়।
    • অপেক্ষমাণ অর্ডার আলাদা করে চোখে পড়ে।
    • অর্ডার দিলে কাস্টমার নিশ্চিতকরণের SMS পান।
    • অর্ডারের ইনভয়েস আর পার্সেল লেবেল প্রিন্ট।
    • স্ট্যাটাস বদলে ডেলিভারি পর্যন্ত ট্র্যাক।
    • আজকের ভিজিটর, অর্ডার, বিক্রি এক পাতায়।
    • অর্ডার নিশ্চিত হলে স্টক নিজে থেকে কমে।
    • অনলাইন আর দোকানের স্টক কখনো আলাদা হয় না।

    লগইন ছাড়াই কাস্টমার নাম, ফোন, ঠিকানা দিয়ে অর্ডার করেন। অর্ডার প্যানেলে আসে — নিশ্চিত করলে বিক্রির মতোই স্টক কমে, প্রস্তুত হলে কাস্টমার SMS পান।

  3. ২.৩
    বকেয়া দেখার ও টাকা দেওয়ার লিংক ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • অ্যাপ না থাকা কাস্টমারও নিজের হিসাব দেখেন।
    • লিংক অনুমান করে অন্যের হিসাব খোলা যায় না।
    • বকেয়া রিমাইন্ডার SMS-এ নিজে থেকে যুক্ত হয়।
    • কাস্টমারের অজুহাত কমে।
    • টাকা দেওয়ার পথ সহজ হলে আদায় বাড়ে।
    • দোকানে ফোন করে জিজ্ঞেস করার চাপ কমে।
    • সবসময় হালনাগাদ হিসাব দেখায়।
    • আলাদা কিছু করতে হয় না।

    প্রতিটা কাস্টমারের জন্য একটা গোপন লিংক — SMS-এ যায়। লগইন ছাড়াই কাস্টমার নিজের বকেয়া দেখেন আর সেখান থেকে অনলাইনে টাকা দিতে পারেন।

  4. ২.৪
    রসিদ ও ভাউচার লিংকে শেয়ার ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • প্রিন্টার না থাকলেও রসিদ দেওয়া যায়।
    • কাস্টমার রসিদ হারালেও লিংকে পান।
    • কাগজ আর কালির খরচ বাঁচে।
    • লিংক অনুমান করে অন্যের রসিদ দেখা যায় না।
    • পার্টনার বা হিসাবরক্ষককে ভাউচার পাঠানো সহজ।
    • দোকানের নাম আর লোগোসহ দেখায়।
    • দূরের কাস্টমারকেও সাথে সাথে প্রমাণ।
    • আধুনিক দোকানের ছাপ পড়ে।

    কিস্তির রসিদ, খরচের ভাউচার আর ইনভয়েস — প্রতিটার একটা অনলাইন লিংক থাকে, WhatsApp বা SMS-এ পাঠানো যায়। কাগজ ছাড়াই প্রমাণ।

৩. SMS, নোটিফিকেশন ও চ্যাট

কাস্টমার, স্টাফ আর দোকানের মধ্যে যোগাযোগ — নিজে থেকেই।

  1. ৩.১
    বাল্ক SMS ক্যাম্পেইন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • শুধু যাদের বাকি আছে, তাদের আলাদা করে পাঠানো যায়।
    • কবে কিনেছেন বা কিস্তির অবস্থা দিয়ে বাছাই।
    • পাঠানোর আগে কারা পাবেন, নামসহ দেখা যায়।
    • তৈরি টেমপ্লেট — চাপলেই লেখা বসে।
    • কত SMS লাগবে আর কত ক্রেডিট আছে, আগেই দেখায়।
    • ক্যাম্পেইন কতটা গেল, তালিকায় দেখা যায়।
    • ক্রেডিট কমে গেলে পাঠানো থেমে থাকে, পরে চলে।
    • SMS ক্রেডিট প্যানেল থেকেই কেনা যায়।

    নতুন মডেল, ঈদের অফার, দোকান বন্ধ — একবার লিখে বাছাই করা কাস্টমার বা স্টাফদের পাঠান। {name} লিখলে প্রত্যেকের কাছে তাঁর নিজের নাম বসে।

  2. ৩.২
    নিজে থেকে যাওয়া SMS ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • স্টাফকে আলাদা করে SMS পাঠাতে হয় না।
    • প্রতিটা SMS-এর লেখা নিজের মতো বদলানো যায়।
    • কোন SMS চালু, কোনটা বন্ধ — আপনি ঠিক করেন।
    • কাস্টমারের কাছে দোকান পেশাদার দেখায়।
    • স্টাফও কমিশন, বেতন, অগ্রিমের SMS পান।
    • সাপ্লায়ারকে পেমেন্টের SMS যায়।
    • SMS লগ আর রিপোর্টে কোনটা গেল দেখা যায়।
    • বাংলায় SMS পাঠানো যায়।

    বিক্রির ধন্যবাদ, পেমেন্ট পাওয়া, কিস্তি জমা, চুক্তি শেষ, ফোন লক-আনলক, মেরামতের প্রতিটা ধাপ, অর্ডার, ওয়ারেন্টি, বেতন — ঘটনা ঘটলেই SMS যায়।

  3. ৩.৩
    কাস্টমারের ফোনে পুশ নোটিফিকেশন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • SMS ক্রেডিট খরচ হয় না।
    • একসাথে সব কাস্টমারকে বা বাছাই করে।
    • নোটিফিকেশন কতজনের কাছে পৌঁছাল, দেখা যায়।
    • অফার আর নোটিশ দ্রুত ছড়ায়।
    • প্রতিটা পাঠানোর রেকর্ড থাকে।
    • শুধু নিজের দোকানের কাস্টমারই তালিকায়।
    • জরুরি খবর তাৎক্ষণিক পৌঁছায়।
    • দোকানদার অ্যাপ থেকেও পাঠানো যায়।

    অ্যাপ থাকা কাস্টমারদের ফোনে সরাসরি নোটিফিকেশন পাঠান — SMS খরচ ছাড়াই। কতজন পেলেন আর খুললেন, তার হিসাবও দেখা যায়।

  4. ৩.৪
    কাস্টমারের সাথে চ্যাট ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাস্টমারের প্রশ্ন এক জায়গায় জমা।
    • লক হওয়া কাস্টমারও যোগাযোগ করতে পারেন।
    • ফোন কলের চেয়ে কম সময় লাগে।
    • আগের কথাবার্তা থেকে যায় — প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।
    • নতুন মেসেজে শব্দ আর ব্যাজ।
    • একাধিক স্টাফ উত্তর দিতে পারেন।
    • কাস্টমারের আস্থা বাড়ে।
    • SMS খরচ ছাড়াই যোগাযোগ।

    কাস্টমার অ্যাপ বা লক পর্দা থেকে দোকানে মেসেজ পাঠান, আপনি প্যানেলের ইনবক্সে উত্তর দেন। নতুন মেসেজ এলে শব্দ করে জানায়।

৪. শাখা, স্টাফের অনুমতি, ভাষা ও নিরাপত্তা

ব্যবসা বড় হলেও নিয়ন্ত্রণ থাকে মালিকের হাতে।

  1. ৪.১
    একাধিক শাখা এক প্যানেলে ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • প্রতিটা শাখার নিজস্ব স্টক আর ক্যাশ ড্রয়ার।
    • শাখার মধ্যে মাল স্থানান্তর, চালান প্রিন্টসহ।
    • স্টাফকে নির্দিষ্ট শাখায় সীমিত রাখা যায়।
    • উপর থেকে এক চাপে শাখা বদল।
    • শাখা অনুযায়ী রিপোর্ট আর তুলনা।
    • স্থানান্তরের আলাদা রিপোর্ট।
    • নতুন শাখা খোলা কয়েক মিনিটের কাজ।
    • আলাদা সফটওয়্যার লাগে না।

    প্রতিটা শাখার স্টক, ক্যাশ আর স্টাফ আলাদা থাকে। এক শাখা থেকে আরেক শাখায় মাল পাঠান রেকর্ডসহ, আর মালিক এক জায়গা থেকে সব শাখা দেখেন।

  2. ৪.২
    টিম, রোল ও খুঁটিনাটি অনুমতি ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • ক্যাশিয়ার শুধু বিক্রি করবেন, লাভ দেখবেন না — সম্ভব।
    • লক-আনলক, মুছে ফেলা — ঝুঁকির কাজ শুধু বিশ্বস্তদের।
    • প্রতিটা রিপোর্টের আলাদা অনুমতি।
    • নিজের মতো নতুন রোল বানানো যায়।
    • স্টাফ চলে গেলে এক চাপে লগইন বন্ধ।
    • পার্টনারের জন্য আলাদা, শুধু-দেখার লগইন।
    • মেনুতে শুধু অনুমতি পাওয়া পাতাই দেখায়।
    • দোকানদার অ্যাপেও একই অনুমতি মানে।

    প্রতিটা স্টাফকে আলাদা লগইন দিন, আর রোল দিয়ে ঠিক করুন কে কী দেখবেন বা করবেন — যেমন শুধু বিক্রি, হিসাব না। লকার-শুধু দোকানে শুধু লকারের অনুমতিই দেখায়।

  3. ৪.৩
    চার ভাষা — বাংলা, English, اردو, नेपाली ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • মালিক বাংলায়, অন্য কেউ ইংরেজিতে — একই দোকানে।
    • কম শিক্ষিত স্টাফও নিজের ভাষায় সহজে চালান।
    • উর্দু ডান থেকে বামে ঠিকভাবে দেখায়।
    • এক চাপে ভাষা বদল।
    • কাস্টমার নিজের ভাষায় কিস্তি দেখেন।
    • শেখার সময় কমে।
    • ভুল বোঝাবুঝি কম হয়।
    • টাকা আর তারিখের ধরনও নিজের মতো।

    প্যানেল, দোকানদার অ্যাপ আর কাস্টমার অ্যাপ বাংলা, ইংরেজি, উর্দু আর নেপালি ভাষায় চলে। প্রত্যেক ব্যবহারকারী নিজের ভাষা বেছে নেন।

  4. ৪.৪
    লকার আর দোকান — দুই অংশ, এক লগইন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • কাজ অনুযায়ী পরিষ্কার মেনু — ভিড় নেই।
    • দুই অংশে যেতে আবার লগইন লাগে না।
    • যে অংশ দরকার, শুধু সেটাই চালু রাখতে পারেন।
    • মেনুর ক্রম নিজের মতো সাজানো যায়।
    • প্রিয় পাতাগুলো সবার উপরে।
    • / চেপে পাতার নাম লিখে সরাসরি যাওয়া।
    • প্রত্যেক ব্যবহারকারীর সাজানো আলাদা।
    • নতুন ব্যবহারকারী দ্রুত অভ্যস্ত হন।

    লগইনের পরে বেছে নিন আজ লকারের কাজ না দোকানের। ভেতরে থেকেও উপরের বোতাম চেপে অন্য অংশে যান। মেনু সাজানো আর প্রিয় পাতা তারকা দেওয়া যায়।

  5. ৪.৫
    অডিট লগ ও লগইন সেশন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • স্টাফের প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ কাজের রেকর্ড।
    • লেখা মুছে ফেলা যায় না।
    • কোথা থেকে কাজ হলো, তাও লেখা থাকে।
    • অচেনা ডিভাইসের লগইন বন্ধ করা যায়।
    • পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে নিজে রিসেট।
    • কাস্টমারের NID-র মতো তথ্য সুরক্ষিত জায়গায়।
    • বিবাদে প্রমাণ হাতে।
    • মালিক নিশ্চিন্তে দোকান ছেড়ে যেতে পারেন।

    কে কখন কী করলেন — লক, আনলক, কোড দেওয়া, মুছে ফেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ — অডিট লগে লেখা থাকে। কোন কোন ডিভাইসে আপনার অ্যাকাউন্ট খোলা আছে, দেখে বন্ধ করা যায়।

  6. ৪.৬
    API ও Webhook — নিজের সিস্টেমের সাথে যুক্ত ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • দুই সফটওয়্যারে একই তথ্য দুইবার লিখতে হয় না।
    • প্রতিটা সংযোগের আলাদা চাবি।
    • দরকার না হলে চাবি বাতিল।
    • ঘটনা ঘটলেই নিজের সিস্টেমে খবর।
    • বড় ডিলার আর ফাইন্যান্স কোম্পানির কাজে লাগে।
    • অনুমতি ছাড়া কেউ সংযোগ করতে পারে না।
    • প্যানেল থেকেই সব সামলানো যায়।
    • ভবিষ্যতে বড় হওয়ার পথ খোলা থাকে।

    বড় প্রতিষ্ঠানের নিজের সফটওয়্যার থাকলে API চাবি দিয়ে PhoneSell Pro-র সাথে যুক্ত করুন, আর Webhook দিয়ে লক, পেমেন্টের মতো ঘটনার খবর সরাসরি নিজের সিস্টেমে নিন।

  7. ৪.৭
    ডিলার প্যানেল — নিজের ব্র্যান্ড ও ডোমেইন ✨ আপনার দোকানে যা সুবিধা
    • নিজের ব্র্যান্ডে সফটওয়্যার চালানো যায়।
    • নিজের অধীনের দোকানগুলো এক তালিকায়।
    • দোকানের জন্য ক্রেডিট নেওয়া আর দেওয়া সহজ।
    • বিল আর বকেয়া এক জায়গায়।
    • স্টেটমেন্টে সব লেনদেন তারিখ ধরে।
    • দোকান থেকে ডিলার প্যানেলে এক চাপে যাওয়া।
    • দোকানদার অ্যাপেও ডিলারের অংশ আছে।
    • নতুন দোকান যোগ করা সহজ।

    যাঁরা দোকানে দোকানে সফটওয়্যার বিক্রি করেন, তাঁদের জন্য আলাদা ডিলার প্যানেল — নিজের দোকানগুলো, ক্রেডিট, বিল আর স্টেটমেন্ট; নিজের নাম, লোগো আর ডোমেইনে।

বিস্তারিত পড়ুন

ডিভাইস লকার ডিভাইস লকার

কিস্তির ফোন থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে — ইন্টারনেট ছাড়াও।

বিস্তারিত পড়ুন →
কিস্তি (EMI) বিক্রি কিস্তি (EMI) বিক্রি

ডাউন পেমেন্ট, মাসিক কিস্তি, চুক্তিপত্র আর আদায় — সব এক জায়গায়।

বিস্তারিত পড়ুন →
লাইভ লোকেশন লাইভ লোকেশন

কাস্টমার উধাও হলেও ফোন খুঁজে পান।

বিস্তারিত পড়ুন →
POS বিক্রি POS বিক্রি

দোকানের কাউন্টারে দ্রুত বিক্রি, সঠিক বিল।

বিস্তারিত পড়ুন →
স্টক ও IMEI স্টক ও IMEI

কোন ফোন কোথায়, কবে কেনা, কত লাভ — সব IMEI ধরে।

বিস্তারিত পড়ুন →
হিসাব ও অ্যাকাউন্টিং হিসাব ও অ্যাকাউন্টিং

আয়, খরচ, লাভ-ক্ষতি আর ব্যালেন্স শিট — নিজে নিজেই তৈরি।

বিস্তারিত পড়ুন →
পার্টনার ও লাভ বণ্টন পার্টনার ও লাভ বণ্টন

দুই-তিনজনের টাকায় চলা দোকানে কে কত দিল, কে কত পাবে — ঝামেলা ছাড়াই।

বিস্তারিত পড়ুন →
স্টাফ ও বেতন স্টাফ ও বেতন

কে কবে এল, কত বিক্রি করল, কত বেতন — এক জায়গায়।

বিস্তারিত পড়ুন →
রিপোর্ট রিপোর্ট

যেকোনো প্রশ্নের উত্তর রিপোর্টে।

বিস্তারিত পড়ুন →
অনলাইন শপ অনলাইন শপ

দোকানের পণ্য অনলাইনে — আলাদা ঝামেলা ছাড়াই।

বিস্তারিত পড়ুন →
কাস্টমার অ্যাপ ও SMS কাস্টমার অ্যাপ ও SMS

কাস্টমার নিজেই দেখে কত বাকি, নিজেই দেয়।

বিস্তারিত পড়ুন →
বড় ব্যবসা (বিজনেস স্যুট) বড় ব্যবসা (বিজনেস স্যুট)

এক দোকান থেকে ব্রাঞ্চের চেইন — ব্যবসা বাড়ে, সিস্টেম বদলাতে হয় না।

বিস্তারিত পড়ুন →
মাল্টি-ব্রাঞ্চ মাল্টি-ব্রাঞ্চ

প্রতিটা ব্রাঞ্চ আলাদা, মালিক দেখেন সব।

বিস্তারিত পড়ুন →

PhoneSell Pro — প্রতিটা কিস্তি নিরাপদ করুন

কয়েক মিনিটেই দোকান সেট করুন, আজই প্রথম ফোনটা সুরক্ষিত করুন — আর কিস্তির টাকার পেছনে ছোটা বন্ধ করুন।