3📦
পণ্য যোগ করা — ফোন আর এক্সেসরিজ
যা বিক্রি করবেন, আগে সেটা পণ্য তালিকায় থাকতে হবে। ফোনের জন্য একবার মডেল (যেমন Galaxy A55 5G 8/128GB) যোগ করলেই হবে — প্রতিটা হ্যান্ডসেটের IMEI পরে কেনার সময় আলাদা করে ঢুকবে।
চার্জার, কাভার, ইয়ারবাডের মতো এক্সেসরিজে IMEI থাকে না — শুধু সংখ্যা (পিস) গোনা হয়।
📍 কোথায় পাবেন: বাঁদিকের মেনু: স্টক → পণ্যসমূহ।
12345🔍 ছবিতে চাপলে বড় হবে
- 1ফিল্টার। শুধু ফোন, শুধু এক্সেসরিজ বা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড দেখুন। পাশের ঘরে নাম লিখে খুঁজতেও পারবেন।
- 2পণ্য যোগ করুন। নতুন মডেল বা এক্সেসরিজ তালিকায় তুলুন (নিচের ছবি)।
- 3হাতে মজুদ। এই মুহূর্তে দোকানে কয়টা আছে।
- 4স্টক মূল্য। এই পণ্যের সব মজুদের কেনা দাম মিলিয়ে কত টাকা।
- 5স্টক ইন। সাপ্লায়ার ছাড়া হাতে হাতে মাল তুললে এখান থেকে সংখ্যা বাড়ান।
12345678🔍 ছবিতে চাপলে বড় হবে
- 1ধরন। ফোন হলে “ফোন (IMEI অনুযায়ী)” — প্রতিটা সেট আলাদা IMEI দিয়ে চেনা যাবে। এক্সেসরিজ হলে “আনুষঙ্গিক জিনিস”।
- 2ব্র্যান্ড ও মডেল। তালিকা থেকে বাছুন — বাজারের প্রায় সব মডেল আগেই দেওয়া আছে। না পেলে “কাস্টম ব্র্যান্ড” চাপুন।
- 3ভ্যারিয়েন্ট ও রং। যেমন 8/128GB, নীল। একই মডেলের আলাদা ভ্যারিয়েন্টের দাম আলাদা হয়, তাই আলাদা পণ্য হিসেবে রাখুন।
- 4পণ্যের নাম। ব্র্যান্ড-মডেল-ভ্যারিয়েন্ট বাছলে নিজে থেকেই তৈরি হয়।
- 5ক্রয় মূল্য। আপনি কত টাকায় কেনেন। লাভের হিসাব এটা দিয়েই হয়।
- 6বিক্রয় মূল্য। সাধারণত কত টাকায় বিক্রি করেন। বিক্রির সময় চাইলে বদলাতে পারবেন।
- 7রিঅর্ডার লেভেল। মজুদ এর নিচে নামলে “কম স্টক” সতর্কতা দেখাবে।
- 8প্রোডাক্ট সংরক্ষণ। সব দিয়ে এটা চাপুন।
💡 মনে রাখবেন
- অনেক পণ্য একসাথে তুলতে ক্রয় → পণ্য ইমপোর্ট করুন থেকে Excel ফাইল দিয়ে তুলতে পারবেন।
- পণ্য যোগ করলে মজুদ শূন্য থাকে। মাল ঢোকে কেনা (ক্রয়) থেকে — পরের অধ্যায়গুলো দেখুন।