অনেক দোকানে বিক্রি ভালো হয়, কিন্তু মাস শেষে বোঝা যায় না আসলে লাভ কত হলো। কারণ সাধারণত হিসাবের কয়েকটা মৌলিক নিয়ম মানা হয় না। নিচের নিয়মগুলো মানলে ছবিটা পরিষ্কার হয়।
১. দোকানের টাকা আর নিজের টাকা আলাদা
ক্যাশ থেকে নিজের খরচে টাকা নিলে সেটা “মালিকের উত্তোলন” হিসেবে লিখুন, দোকানের খরচ হিসেবে না। না হলে লাভ কম দেখাবে আর আসল ছবি হারিয়ে যাবে।
২. প্রতিদিন ক্যাশ মেলান
দিন শেষে ড্রয়ারের টাকা গুনে সফটওয়্যারের সাথে মেলান। গরমিল ছোট থাকতেই ধরা পড়ে, মাস শেষে বড় হয়ে না।
৩. প্রতিটা খরচ লিখুন
ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, নাস্তা, ডেলিভারি — ছোট খরচও লিখুন। ছোট খরচ মিলেই মাস শেষে বড় অঙ্ক হয়।
৪. কিস্তির বাকি আলাদা রাখুন
কিস্তিতে বিক্রি মানে টাকা এখনো পুরোপুরি আসেনি। বিক্রি আর আদায় আলাদা ট্র্যাক করুন, যাতে বাজারে কত টাকা আটকে আছে জানা যায়।
৫. মাসে একবার লাভ-ক্ষতি দেখুন
মাস শেষে আয় থেকে সব খরচ বাদ দিয়ে নিট লাভ দেখুন। সফটওয়্যার এটা নিজেই করে দিলে সময়ও বাঁচে।
এই নিয়মগুলো কঠিন না — দরকার শুধু নিয়মিত মানা। আর যে কাজগুলো সফটওয়্যার নিজে নিজে করতে পারে (বিক্রি, কিস্তি আদায় পোস্ট করা), সেগুলো হাতে না করে ছেড়ে দিন।
আরও পড়ুন: Cash flow management · খাতা vs software · হিসাব ও অ্যাকাউন্টিং

