বাংলাদেশ · পাকিস্তান · নেপাল · মধ্যপ্রাচ্য — সব জায়গায় সেবা support@phonesellpro.com

কিস্তি (EMI) বিক্রির Business Model — Profit, Risk আর Cash Flow বুঝুন

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ১০ মিনিটে পড়ুন · PhoneSell Pro টিম

"কিস্তিতে বিক্রি করলে বিক্রি বাড়ে" — এটা সবাই জানে। কিন্তু EMI business-এর আসল হিসাব অনেকেই করেন না: টাকা কতদিন বাজারে আটকে থাকে, কয়জন default করলে লাভ শূন্য হয়ে যায়, আর cash flow-তে কী চাপ পড়ে। এই লেখায় একটা সহজ উদাহরণ দিয়ে পুরো ব্যাপারটা দেখব।

EMI বিক্রির মূল কাঠামো

একটা EMI বিক্রিতে সাধারণত তিনটা অংশ থাকে:

  • Down payment — বিক্রির দিন customer যা দেন
  • Installment — বাকি টাকা কয়েক মাসে ভাগ করে
  • কিস্তির চার্জ — নগদ দামের উপর কিস্তির জন্য বাড়তি অংশ (দোকানভেদে আলাদা)

একটা উদাহরণ (সংখ্যাগুলো শুধু বোঝার জন্য)

ধরুন একটা ফোন আপনি কিনেছেন ১৮,০০০ টাকায়, নগদে বিক্রি করেন ২০,০০০ টাকায়। কিস্তিতে দাম ধরেছেন ২২,০০০ টাকা — ৬,০০০ টাকা down payment, বাকি ১৬,০০০ টাকা ৮ মাসে ২,০০০ করে।

নগদ বিক্রিকিস্তি বিক্রি
বিক্রির দিন হাতে আসে২০,০০০৬,০০০
মোট আয় (সব কিস্তি পেলে)২০,০০০২২,০০০
লাভ (কেনা দাম বাদে)২,০০০৪,০০০
টাকা পুরো ফিরতে সময়সাথে সাথে৮ মাস

কাগজে কিস্তির লাভ দ্বিগুণ। কিন্তু খেয়াল করুন — বিক্রির দিন আপনার ১৮,০০০ টাকার ফোন চলে গেছে, হাতে এসেছে মাত্র ৬,০০০। ১২,০০০ টাকা বাজারে আটকে গেছে, আর সেটা ফিরবে ৮ মাস ধরে।

Risk: একজন default করলে কী হয়

ধরুন customer ৩টা কিস্তি দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। আপনি পেয়েছেন ৬,০০০ + ৬,০০০ = ১২,০০০ টাকা, অথচ ফোনের কেনা দামই ১৮,০০০। অর্থাৎ ৬,০০০ টাকা ক্ষতি — আর এই একটা default মুছে দিতে পারে কয়েকটা সফল কিস্তি বিক্রির পুরো লাভ।

তাই EMI business-এ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো default rate কম রাখা। যেসব উপায়ে এটা কমে:

  1. ফোন lock: কিস্তি না দিলে ফোন চলবে না — এটাই সবচেয়ে কার্যকর চাপ। (ডিভাইস লকার)
  2. বেশি down payment: customer-এর নিজের টাকা বেশি থাকলে সে সহজে ছেড়ে দেয় না, আর আপনার ঝুঁকিও কম।
  3. Guarantor আর NID: পরিচয় নিশ্চিত থাকলে যোগাযোগ রাখা সহজ।
  4. Reminder: ভুলে যাওয়া কিস্তি আগেই মনে করিয়ে দিন। (রিমাইন্ডারের ভূমিকা)
  5. Live location: customer উধাও হলেও ফোন কোথায় জানা যায়। (লাইভ লোকেশন)

Cash Flow: কিস্তি যত বাড়ে, capital তত লাগে

প্রতিটা কিস্তি বিক্রিতে টাকার একটা অংশ কয়েক মাসের জন্য বাজারে চলে যায়। তাই কিস্তির বিক্রি হঠাৎ অনেক বাড়ালে নতুন stock কেনার টাকা কমে যেতে পারে। নিয়ম হিসেবে:

  • প্রতি মাসে দেখুন বাজারে মোট কত টাকা কিস্তিতে আটকে আছে।
  • প্রতি মাসে কত টাকা কিস্তি থেকে আসার কথা, আর আসলে কত এল — মিলিয়ে দেখুন।
  • নতুন কিস্তি বিক্রি এমনভাবে করুন যাতে supplier-এর পেমেন্টের জন্য হাতে cash থাকে।

Cash flow নিয়ে বিস্তারিত: মোবাইল দোকানের Cash Flow management।

কোন customer-কে কিস্তি দেবেন

  • পুরনো customer যিনি আগে সময়মতো শোধ করেছেন — সবচেয়ে নিরাপদ।
  • স্থায়ী ঠিকানা আর আয়ের উৎস আছে এমন customer।
  • Down payment যত বেশি দিতে রাজি, তত ভালো।

Software কীভাবে সাহায্য করে

একশো-দুশো কিস্তির customer খাতায় সামলানো প্রায় অসম্ভব। কিস্তি ফিচারে প্রতিটা চুক্তি, schedule, আদায় আর বকেয়া আলাদা থাকে; defaulter report দেখায় কে পিছিয়ে; আর প্রতিটা আদায় সাথে সাথে হিসাবে যোগ হয়। ফলে আপনি সবসময় জানেন বাজারে কত টাকা আছে আর কত আসার কথা।

শেষ কথা

EMI একটা শক্তিশালী business model — যদি risk নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়ম, ফোন lock আর পরিষ্কার হিসাব থাকলে কিস্তি আপনার business-এর সবচেয়ে বড় growth engine হতে পারে। ডেমো দেখুন কীভাবে PhoneSell Pro এটা সহজ করে।

✦ প্রশ্ন ও উত্তর

সাধারণ প্রশ্ন

কিস্তিতে বিক্রিতে লাভ কি নগদের চেয়ে বেশি?
সাধারণত প্রতি বিক্রিতে বেশি, কারণ কিস্তির চার্জ থাকে। তবে টাকা কয়েক মাস আটকে থাকে আর default-এর ঝুঁকি আছে — সেটা হিসাবে ধরতে হবে।
Default কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?
ফোন lock system, যথেষ্ট down payment আর সময়মতো reminder — তিনটা একসাথে।
কত কিস্তিতে বিক্রি করা উচিত?
যত কম মাস, তত কম ঝুঁকি আর তত দ্রুত টাকা ফেরে। আপনার cash flow আর customer-এর সামর্থ্য মিলিয়ে ঠিক করুন।
✦ এই লেখার সাথে সম্পর্কিত

PhoneSell Pro-তে যেভাবে হয়

✦ আরও পড়ুন

অন্য লেখা

PhoneSell Pro — প্রতিটা কিস্তি নিরাপদ করুন

কয়েক মিনিটেই দোকান সেট করুন, আজই প্রথম ফোনটা সুরক্ষিত করুন — আর কিস্তির টাকার পেছনে ছোটা বন্ধ করুন।