কিস্তিতে ফোন বিক্রি এখন প্রায় প্রতিটা মোবাইল দোকানের বড় অংশ। কাস্টমার একবারে পুরো দাম দিতে পারে না, কিস্তিতে পারে — তাই বিক্রি বাড়ে। কিন্তু সাথে আসে কিছু ঝুঁকি। নিচে সবচেয়ে সাধারণ পাঁচটা ঝুঁকি আর সেগুলো কমানোর উপায়।
১. কাস্টমার কিস্তি দেওয়া বন্ধ করে দেয়
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এটাই। ফোন হাতে পাওয়ার পর কয়েকটা কিস্তি দিয়ে অনেকে থেমে যায়। সমাধান: ফোনে এমন লকার রাখা, যা কিস্তি বাকি পড়লে ফোন লক করে দেয়। ফোন চালাতে হলে কিস্তি দিতেই হবে — এই নিয়মটাই সবচেয়ে কার্যকর।
২. ফোন রিসেট করে লক এড়ানো
অনেক কাস্টমার জানে ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট করলে অ্যাপ মুছে যায়। সমাধান: লকার এমনভাবে বসানো যাতে রিসেট আর মুছে ফেলার পথ বন্ধ থাকে, আর চেষ্টা করলে দোকানে অ্যালার্ট যায়। বিক্রির সময় দোকানের Gmail দিয়ে ফোনের FRP চালু রাখাও জরুরি।
৩. কাস্টমার উধাও
ঠিকানা বদলে ফেলা বা নম্বর বন্ধ করা খুব সাধারণ। সমাধান: বিক্রির সময় NID, ঠিকানা আর একজন জামিনদারের তথ্য রাখা, আর ফোনের লাইভ লোকেশন দেখার ব্যবস্থা।
৪. খাতার হিসাব গুলিয়ে যাওয়া
একশো কাস্টমারের কিস্তি খাতায় রাখলে কে কত দিল, কার কত বাকি — ভুল হবেই। সমাধান: প্রতিটা কিস্তির বিক্রি সফটওয়্যারে চুক্তি হিসেবে রাখা, যাতে বকেয়া তালিকা এক ক্লিকে পাওয়া যায়।
৫. সারা মাস ফোন করে টাকা চাওয়া
কিস্তির দিনে প্রত্যেককে ফোন করতে সময় আর ধৈর্য দুটোই যায়। সমাধান: তারিখের আগে নিজে নিজেই SMS রিমাইন্ডার আর ফোনের স্ক্রিনে নোটিশ, আর কাস্টমার যাতে বিকাশ/নগদে সহজে দিতে পারে সেই ব্যবস্থা।
শেষ কথা
কিস্তির ঝুঁকি পুরোপুরি শূন্য করা যায় না, কিন্তু সঠিক নিয়ম আর টুল থাকলে অনেকটাই কমানো যায়। তখন আরও বেশি কাস্টমারকে সাহস নিয়ে কিস্তি দেওয়া যায় — আর বিক্রিও বাড়ে।
আরও পড়ুন: EMI বিক্রির business model · FRP lock guide · ডিভাইস লকার · লাইভ লোকেশন


